বিশ্বকাপে টাইগারদের নিরাপত্তা নিয়েও চিন্তা করছে বিসিবি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৩:৩৬ পিএম, ১৫ মার্চ ২০১৯

ক্রাইস্টচার্চে হামলার ঘটনা বড় ধরনের চিন্তার খোরাক তৈরি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েই এখন যত চিন্তা বোর্ড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। ক্রাইস্টচার্চে যে মসজিদে রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং প্রায় অর্ধশত মানুষ নিহত হয়েছে, তাদের মধ্যে থাকতে পারতো বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের নামও। ভাগ্য ভালো যে, তারা বেঁচে গেছেন।

তবে, নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠেছে, তখন এ নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, ভবিষ্যতে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজসহ বিদেশ সফরে গেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য সবার আগে নিরাপত্তার বিষয়টা নিশ্চিত করা হবে। বিসিবি একটা মানদণ্ড ঠিক করে দেবে। সে অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হলেই কেবল সিরিজ খেলতে যাবে টাইগাররা।

একই সঙ্গে সামনে যেহেতু বিশ্বকাপ এবং স্বাগতিক ইংল্যান্ডে এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে, সেখানে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তার বিষয়টি কি চোখে দেখছেন বিসিবি প্রেসিডেন্ট? এমন প্রশ্ন উঠলে তিনি জবাব দিয়ে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের নিরাপত্তার বিষয়টা নিয়েও চিন্তা করছে বিসিবি।

বিশ্বকাপের নিরাপত্তার বিষয়টা নিয়ে পাপন বলেন, ‘আইসিসি ইভেন্টে নিরাপত্তা কিন্তু আইসিসি নিশ্চিত করে দেয়। ওরা একটা মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড নিশ্চিত করে। তারপরও আমার ধারণা বিদেশে এমনিতে যে ধরণের নিরাপত্তা দেখি আমাদের মনে হয় পর্যাপ্ত নয়। কারণ আমরা তো এরচেয়ে অনেক বেশি নিরাপত্তা দেই। আমরা যেটা করি, সেটা অনেক অনেক বেশি। ইংল্যান্ডে যেহেতু এই ধরণের ঘটনা ঘটেছে আগে। কাজেই তারা নিশ্চয়ই বাড়তি ব্যবস্থা নিবে। আর আমাদের পক্ষ থেকে আমরা আমাদেরটা দেখব।’

পাপন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখন নিরাপদেই রয়েছে ক্রাইস্টচার্চে। বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে, ক্রিকেটারদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে। পাপন বলেন, ‘আমি প্রথম যেটা করেছি, যখন শুনেছি ওরা হোটেলে এসে পড়েছে। আমাদের মাননীয় পরারাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার, উনাকে ফোন করেছি। যে আমাদের দলটাকে যত দ্রুত সম্ভব আমি বাংলাদেশি নিয়ে আসতে চাই। এখন তো ওখানে লকডাউন আছে। কোথাও কিছু চলছে কিনা, এয়ারপোর্ট চালু আছে কিনা সেটাও ত আমরা জানি না। আমি ওকে বলেছি আমরা এখান থেকে টিকেট কাটার ব্যবস্থা করছি। কিন্তু ওদের ওখান থেকে বের করে প্লেনে উঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য সাহায্য করব। উনি বলেছি আমি এক্ষুনি ব্যবস্থা নিচ্ছি, সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।’

আইএইচএস/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :