আফগানিস্তানের বিপক্ষেই বরং চাপ বেশি!

আরিফুর রহমান বাবু
আরিফুর রহমান বাবু আরিফুর রহমান বাবু , বিশেষ সংবাদদাতা সাউদাম্পটন থেকে
প্রকাশিত: ০৮:৫২ এএম, ২৩ জুন ২০১৯

এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের বেশিরভাগ ম্যাচই হয়েছে তুলনামূলক বেশি শক্তির দলের সঙ্গে। দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় আফগানিস্তান অবশ্যই দূর্বল। এটা বাংলাদেশের জন্য কি প্লাস পয়েন্ট? না মাইনাস? বড় শক্তিগুলোক সামলে আফগানদের সাথে খেলা কি একটু স্বস্তি, নির্ভার ও কম চাপ? নাকি বাড়তি চিন্তা?

জাতীয় দলের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মিঠুন মনে করেন, এতে বরং চাপই বেশি। তার ব্যাখ্যা, ‘আসলে আমার তো মনে হয় নির্ভার ও চাপ কমের চেয়ে বাড়তি চাপই বেশি। কারণ আফগানিস্তানের গায়ে বড় দলের তকমা নেই। সবাই ধরেই নিয়েছেন আমরাই জিতবো। জেতা উচিৎ। এখন জিততে না পারলে তো আবার.....। তাই আমার মনে হয় আফগানদের সঙ্গে ম্যাচে আমরা আরও বেশি সতর্ক-সাবধানী থাকবো। থাকা উচিৎ।’

বিশ্বকাপে দর্শক ও বাঙালি সমর্থকরা দারুণ অনুপ্রাণিত করছেন দলকে। প্রতিটি ভেন্যুতে তারা মাঠে যাচ্ছেন। হাজারো বাঙালির কলতানে মুখরিত ছিল লন্ডনের ওভাল, কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন, ব্রিষ্টল, টনটনের সমারসেট ক্লাব মাঠ, নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রিজ।

ধারণা করা হচ্ছে সাউদাম্পটনেও মাঠের অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকবেন বাংলাদেশি সমর্থকরা। তাদের অকুন্ঠ সমর্থন, গগন বিদারি চিৎকার, বাংলাদেশ-বাংলাদেশ ধ্বনিতে অকাশ বাতাস কাঁপিয়ে তোলা আর মাঝেমধ্যে মাশরাফি, সাকিব, মুশফিক, তামিম, লিটন, মোস্তাফিজদের নামে উল্লাসে ফেটে পড়ায় দারুণভাবে অনুপ্রাণিত হয় টাইগাররা।

বাংলাদেশের দর্শক ও প্রবাসী বাঙালিদের সমর্থন এবং সরব উপস্থিতি দেখে বোঝার উপায় থাকে না খেলা যে বাংলাদেশের বাইরে হচ্ছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের এমন ভালবাসা আর অকুন্ঠ সমর্থন কিভাবে দেখছে টাইগাররা?

এটা কি অনুপ্রেরণা, নাকি অন্যরকম চাপও? প্রশ্ন রাখা হলে মিঠুনের জবাব, ‘আগে থেকেই ধারণা ছিল ইংল্যান্ডে বাঙালি দর্শক-ভক্ত থাকবে বেশি। অনেক সাপোর্টার থাকবে আমাদের। মাশাআল্লাহ! আছেও। আমরা দারুণ পুলকিত, অনুপ্রানিত, উজ্জিবীতও। এতটা সমর্থন পাব তা আশা করিনি।’

এআরবি/এসএএস/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :