১০ দিনের মধ্যেই কোচ পাচ্ছে টাইগাররা, আসছে জিম্বাবুয়েও!

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:১৪ পিএম, ০৫ আগস্ট ২০১৯

কোচ চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিলেও বারবার শোনা যাচ্ছে এ মুহূর্তে বিসিবির হাতে কোনো বিদেশি কোচ নেই। আগের দিন শেরেবাংলায় বিপিএল ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপেও বিসিবির শীর্ষ কর্তারা জানিয়েছিলেন, নভেম্বরের আগে কোচ নিয়োগের সম্ভাবনা কম।

এর বাইরে কেউ কিছু না বললেও ভেতরের খবর, বাংলাদেশের সাবেক কোচ, শ্রীলঙ্কার চন্ডিকা হাথুরুসিংহে ছাড়া এ মুহূর্তে আসলে বিসিবির কাছে কোনো অপশনও নেই। বিসিবি চাইলেও এ লঙ্কানের পক্ষে চট জলদি বা আপাতত আসার সম্ভাবনা কম।

কারণ লঙ্কান বোর্ডের সাথে সব সম্পর্ক চুকে-বুকে না যাওয়ার আগে তার পক্ষে কোনো দলের কোচ হওয়া সম্ভব নয়। তাতে তার ‘আম ছালা’ দুই-ই যাবে। মানে শ্রীলঙ্কান বোর্ড তখন তার পাওনা পরিশোধে গড়িমসি করবে।

কিন্তু বাংলাদেশে রাতারাতি ভোজবাজির মতো বদলে গেল দৃশ্যপট! বিসিবিপ্রধান নাজমুল হাসান পাপন আজ পড়ন্ত বিকেলে বলেন, কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া নাকি খুব জোরেসোরেই চলছে এবং কোচ নিয়োগের কাজ নাকি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে।

বিসিবি বিগ বসের কথা শুনে মনে হচ্ছে, ঈদের আগেই ঠিক হয়ে যাবে টাইগারদের পরবর্তী কোচ। জানা যাবে কে হবেন জাতীয় দলের প্রধান বিদেশি কোচ?

সোমবার পড়ন্ত বিকেলে আবাহনী লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা, দেশবরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ক্লাব ভবনে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপে বিসিবি সভাপতি কোচ প্রসঙ্গে বলেন, ‘দ্রুত কোচ নিয়োগ হয়ে যাবে। ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হবে।’

তবে কাকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছে বিসিবি, সেটা ঘূর্ণাক্ষরেও প্রকাশ করলেন না সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

ওই অনুষ্ঠানে একই সঙ্গে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের ঢাকায় আসা নিয়েও কথা বলেছেন বিসিবি প্রধান। তিনি বেশ দৃঢ়তার সাথেই বলেছেন, ‘আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় থাকলেও জিম্বাবুয়ে ঠিকই ঢাকা আসবে। এবং আমরা যে আফগানিস্তান আর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে তিন জাতি ক্রিকেট আসর আয়োজনের চিন্তা করছি, তাতে অংশও নেবে।’

বিসিবি সভাপতি আরও বলেন, ‘আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় পড়লেও জিম্বাবুয়ের বাংলাদেশে আসা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। সেটা আইসিসির ওই নিষেধাজ্ঞায় ধর্তব্য হবে না। জিম্বাবুয়ে ঠিকই বাংলাদেশে আসবে।’

এআরবি/আইএইচএস/জেআইএম