আইপিএলে বারবার ‘স্যালুট’ দিতে চান ক্যারিবীয় পেসার

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৫৩ এএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

অভিজ্ঞ ক্রিস গেইল থেকে শুরু করে হালের শিমরন হেটমায়ার- ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার মানেই ভরপুর বিনোদনের কেন্দ্র। খেলাটিকে মন ভরে উপভোগ করার উৎকৃষ্ট উদাহরণ ক্যারিবীয় ক্রিকেটাররা। নিজেরা যেমন উপভোগ করেন, তেমনি নির্মল বিনোদন জোগান সবার মনে।

তা করতে গিয়ে ক্রিকেট মাঠে মজাদার সব কাণ্ড ঘটান ক্যারিবীয় ক্রিকেটাররা। যেমন মিডিয়াম পেসার কেসরিক উইলিয়ামস উইকেট পেলেই পকেট থেকে নোটবুক বের করে সেখানে ব্যাটসম্যানের নাম লিখে রাখারর মতো করে উদযাপন করে থাকেন। তেমনি ভিন্নধর্মী আরেক উদযাপন করে থাকেন বাঁহাতি পেসার শেলডন কটরেল।

সাত বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা কটরেল প্রতিবার উইকেট পাওয়ার পর পুরোপুরি সৈনিক বনে যান, নিজেই নিজেই স্যালুট দেন কেতাবি ধাঁচে। এর কারণও রয়েছে। খেলোয়াড়ি জীবনের বাইরে তিনি জ্যামাইকার একজন পেশাদার সৈনিকও বটে। সে কারণেই মূলত স্যালুট দিয়ে থাকেন তিনি।

এবার প্রথমবারের মতো ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে সুযোগ পেয়েছেন ৩১ বছর বয়সী কটরেল। নিলামে রাজস্থান রয়্যালস, দিল্লি ক্যাপিট্যালস ও কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের ত্রিমুখী লড়াইয়ে ৫০ লাখ ভিত্তিমূল্যের খেলোয়াড় কটরেল বিক্রি হয়েছেম সাড়ে ৮ কোটি রুপিতে। শেষপর্যন্ত তাকে পেয়েছে পাঞ্জাব।

আজ (শনিবার) থেকে শুরু হচ্ছে এবারের আইপিএল। সে উপলক্ষ্যে কটরেল আগেভাগেই জানিয়ে রেখেছেন, এবারের আইপিএলের বারবার স্যালুট দিতে চান তিনি। যার অর্থ পরিষ্কার, বেশি বেশি উইকেট নিতে চান তিনি। আর প্রতিটি উইকেট নেয়ার পরই দেখা মিলবে তার কেতাবি স্যালুটের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কটরেল বলেছেন, ‘পেশাগতভাবে আমি একজন সৈনিক। জ্যামাইকার প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতি সম্মান প্রদর্শনে আমি স্যালুটটা দেই। আশা করছি, আসন্ন সপ্তাহগুলোতে এমন স্যালুট বারবার দিতে পারব।’

প্রথমবারের মতো আইপিএল খেলোয়াড় রোমাঞ্চ ছুঁয়েছে কটরেলকে, ‘বিশ্বের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট এটি। প্রত্যেকটা পেশাদার ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন আইপিএলে খেলা। এমন উচ্চ প্রতিভা এবং জমজমাট প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর কোথাও নেই। এটা আমার প্রথম আইপিএল। কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে মাঠে নামতে মুখিয়ে রয়েছি।’

তবে নিয়মিতই যে একাদশে সুযোগ পাবেন, এমন আশা করে রাখছেন না কটরেল। কেননা নিয়মানুযায়ী প্রতি ম্যাচে খেলতে পারে মাত্র চারজন বিদেশি খেলোয়াড়। যেখানে পাঞ্জাবের প্রথম পছন্দ নিকোলাস পুরান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ক্রিস জর্ডান ও মুজিব উর রহমান। তাই এ সিদ্ধান্তটি টিম ম্যানেজম্যান্টের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছেন বাঁহাতি পেসার কটরেল।

তার ভাষ্য, ‘আমার ওপর কোনো চাপ থাকবে না, এমনটা বললে মিথ্যা বলা হবে। তবে আমি বিশ্বাস করি, চাপের মধ্যেই আমার কাজ ভালো হয়। আমি এমন একজন, যে কি না মাঠে ১১০ ভাগ দিতে প্রস্তুত। তবে ম্যাচের একাদশ ঠিক করবে কোচ এবং অধিনায়ক। তাদের সিদ্ধান্তই এখানে সবচেয়ে জরুরি।’

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]