ওয়ানডে সিরিজে রুবেলকে নিয়ে ‘শঙ্কা’

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:০৫ পিএম, ১৬ মে ২০২১

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পেস আক্রমণের অন্যতম সেরা অস্ত্র রুবেল হোসেন। তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে আসন্ন সিরিজটিতে তাকে পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ বিশ্বাস যেমন ইঙ্গিত দিলেন, তাতে ওয়ানডে সিরিজে না-ও দেখা যেতে পারে রুবেলকে। ডানহাতি এই পেসার ভুগছেন পিঠের চোটে।

টাইগার গতিতারকার চোট নিয়ে দেবাশীষ জানান, ‘রুবেল এক যুগের বেশি সময় ধরে এলিট লেভেলে বল করছেন। এ ধরনের বোলারদের ব্যাকে কিছু ইস্যু হয়ে থাকে, রুবেলও তার ব্যতিক্রম না। কয়েক দফা স্ক্যান করানো হয়েছে, স্ক্যানে তার লো ব্যাকে কিছু সমস্যা দেখা গিয়েছে। যা দীর্ঘমেয়াদি বোলিংয়ের রিঅ্যাকশন হিসেবেই আমরা সাধারণত পেয়ে থাকি। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া প্রয়োজন রুবেলের। এই সমস্যাটা মাঝেমাঝে মাথাচাড়া দেবে, তাই রুবেলকে একটা খুব ভালো পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় থাকতে হবে। আর সে সেটিই করছে।’

তবে কি আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে দলে বিবেচিত হবেন না রুবেল? সেই কথাও এখনই বলে দিতে রাজি নন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক। তিনি বলেন, ‘দেখেন, ওর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে। বিবেচনার বিষয়টি শেষ মুহূর্তে নির্বাচকরা সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের কাছে যখন আপডেট জানতে চাইবে যে- ওর আজকের অবস্থা কি? আমরা সেটা জানাবো। এখনই তো বলার প্রয়োজন নেই যে সেই দলের বাইরে চলে গেছে। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। দল নির্বাচনের আগে যখন আমাদের জিজ্ঞেস করবে, সেদিন আমরা আপডেট জানাবো। এটা ততদিনে আরেকটু ভালো হবে।’

এই চোট সমস্যাটা সহজেই সারবে না, মনে করছেন দেবাশীষ। তার কথা, ‘এটা যতদিন ও খেলবে ততদিনই চলবে। আপনি দেখবেন যে কোনো বড়-নামকরা বোলার, যারা ১২-১৫ খেলেছে, তারাই সফল। ১২-১৫ বছর কিন্তু খেলাটা সহজ না পেসারদের জন্য। শুধু রুবেল না। আমাদের অন্য অনেক পেসারই এরকম সমস্যায় ভুগছে। দেখা যায় ক্যারিয়ার লম্বা হয় না কিংবা মাঝে মাঝে খেলে।’

দেবাশীষ মনে করেন, আসলে ম্যাচ ফিটনেস আছে কি না সেটি একজন খেলোয়াড় নিজেই ভালো বুঝতে পারে। তাই রুবেলকে নিয়ে এখনই শেষ কথা বলতে নারাজ বিসিবি চিকিৎসক।

তিনি বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডে থাকা অবস্থাতেই ওর কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল এবং এই মুহূর্তে ওর কিন্তু ক্লিনিকালি কোনো ব্যথা নেই। আসলে ম্যাচ ফিটনেসের ব্যাপারটা ওর নিজের বুঝতে হবে। আমরা পরীক্ষা করে আসলে এই মুহূর্তে কোনো ব্যথা পাচ্ছি না। কিন্তু ওর কনফিডেন্স কিংবা ভেতরের অনুভূতিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। সব মিলিয়ে আমরা পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালিয়ে নিচ্ছি। শেষ মুহূর্তে আমাদের নির্বাচকরা জিজ্ঞেস করলে আপডেট দেব।’

এমএমআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]