বিজয়-নাইম-আফিফের ব্যাটে

শেখ জামালকে হারিয়ে ২২তম শিরোপা আবাহনীর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২১ পিএম, ১৩ মে ২০২৩

এবার আর শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে শিরোপা উপহার দেওয়া হলো না নুরুল হাসান সোহানের। আগেরবার তার ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংসেই আবাহনীকে হারিয়ে প্রথমবার প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।

আজ শনিবার সোহানের ব্যাট থেকে আসা ৮৯ (৭০ বলে) রানের ঝোড়ো ইনিংসের ওপর ভর করে ২৮২ রানের লড়াকু পুঁজি পেয়েছিল শেখ জামাল। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি।

দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় (৮১ বলে ৭২) আর নাইম শেখ (৭৯ বলে ৬৮) আর পরে মিডল অর্ডার আফিফ হোসেন ধ্রুবর (৫৩ বলে ৬০ অপরাজিত) চওড়া ব্যাটে ভর করে এবারের প্রিমিয়ার লিগের অঘোষিত ফাইনালটি ৪ উইকেটে জিতে শেষ হাসি হেসেছে আবাহনী।

প্রথম লেগে তাওহিদ হৃদয়ের (৭৭ বলে ৭১) দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আবাহনীকে ৪ উইকেটেই হারিয়েছিল শেখ জামাল। পেস বোলার তানজিম সাকিব শেষ ওভারের চতুর্থ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আবাহনীকে ৪ বল আগে লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।

শনিবার শেরে বাংলায় প্রতিশোধ তো হলোই, শিরোপা পুনরুদ্ধারও হলো আবাহনীর। রবিন ও সুপার লিগ মিলে ১৬ খেলায় ১৪ নম্বর ম্যাচ জিতে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দল।

আগেরবার শেখ জামাল ধানমন্ডি চ্যাম্পিয়ন হলেও তার আগেরবার অর্থাৎ ২০২১-২০২২ মৌসুমে প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের শিরোপা জিতেছিল আবাহনী। এক মৌসুম পর আকাশি-হলুদ জার্সিধারিরা হলো লিগ বিজয়ী।

এ নিয়ে ২২তম বারের মতো লিগ শিরোপা জিতলো আবাহনী। আর কোনো দল ১০ বারও জিততে পারেনি।

২৮৩ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বিজয় আর নাইম শেখ মিলেই জয়ের ভিত গড়ে দেন। ১৪৫ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন তারা। এরপর আফিফ ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরি করে জয় ত্বরান্বিত করেন।

এর আগে টস হেরে প্রথম ব্যাট করতে নেমে শুরুতে পেছনের পায়ে গিয়েছিল শেখ জামাল। মাত্র ১৬ রানে ফিরে যান তিন টপ অর্ডার সাইফ হাসান (০), সৈকত আলী (৮) ও রবিউল ইসলাম রবি (৫)

ওই চাপের মধ্যে ধৈর্য ধরে ঠান্ডা মাথায় সিঙ্গেলস-ডাবলসে খেলে শুরুর ধাক্কা সামলে দেন ফজলে মাহমুদ রাব্বি ও তাইবুর রহমান পারভেজ। তারা চতুর্থ উইকেটে ৮১ রান জুড়ে দেন। তাইবুর ৭০ বলে ৪০ রান করে আবাহী পেসার তানজিম সাকিবের বলে মিড অনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এরপর পঞ্চাশ করে (৮৫ বলে ৫৩) সাজঘরে পা বাড়ান ফজলে রাব্বিও।

তার পরপরই শুরু হয় নুরুল হাসান সোহান ম্যাজিক। তাকে সঙ্গ দেন দুজন, পারভেজ রাসুল আর জিয়াউর রহমান। ষষ্ঠ উইকেটে সোহান আর পারভেজ রাসুল ৮৩ রানের জুটি গড়েন ঝড়ের গতিতে, ১০.৩ ওভারে।

পারভেজ রাসুল ৩৭ বলে ৪২ রানে ফেরার পর সোহান আর জিয়া মিলে সপ্তম উইকেটে ৬০ রান তোলেন মাত্র ২১ বলে। শেষ ওভারে দুই ছক্কাসহ মোট তিন ছক্কা হাঁকিয়ে জিয়া ২৯ রান করেন মাত্র ১৪ বলে। শেখ জামাল শেষ ১০ ওভারে তোলে ১২৩ রান। আর শেষ ৫ ওভারে যুক্ত হয় ৭৯।

এআরবি/এমএমআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।