প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের পর্দা নামছে শনিবার

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:২৮ পিএম, ১২ জানুয়ারি ২০১৮
প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের পর্দা নামছে শনিবার

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের পর্দা নামছে শনিবার। গত ২৮ জুলাই পর্দা উঠেছিল প্রিমিয়ার লিগের দশম আসরের। লিগের শেষ দিনে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ও রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটি এবং শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ও আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ।

এক রাউন্ড আগেই প্রিমিয়ার লিগের দশম আসরের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ নিশ্চিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার চ্যাম্পিয়ন আবাহনী ও রানার্সআপ শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবে ট্রফিও দিয়েছে প্রফেশনাল লিগ কমিটি। শেষ রাউন্ডের শেষদিনের খেলা শুধুই আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

প্রিমিয়ার লিগের দশম আসরের প্রথম রাউন্ড পর্যন্ত চারটি দল ছিল ট্রফি জয়ের লড়াইয়ে। দ্বিতীয় পর্বে এসে প্রথমে পিছিয়ে পড়ে প্রিমিয়ার লিগে নবাগত সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব এবং তারপর চট্টগ্রাম আবাহনী।

শেষ পর্যন্ত শিরোপার লড়াইয়ে ছিল আবাহনী ও শেখ জামাল। ২১ তম রাউন্ডে দুই দলের মুখোমুখিতে আবাহনী ২-০ গোলে জিতে ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা জয় নিশ্চিত করে। রানার্সআপ হওয়ার সম্ভাবনায় ছিল শেখ জামাল ও চট্টগ্রাম আবাহনী। কিন্তু চট্টলার দলটি সাইফের সঙ্গে ড্রয়ের পর দ্বিতীয় হওয়া নিশ্চিত হয় শেখ জামালের।

আবাহনী লিগ শেষ করেছে ২২ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে। রানার্সআপ শেখ জামালের পয়েন্ট ৪৭। শনিবার মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে সাইফ জিতলে তৃতীয় হয়ে লিগ শেষ করবে প্রিমিয়ারে নবাগত দলটি। সাইফ জিততে না পারলে গতবারের রানার্সআপ চট্টগ্রাম আবাহনী লিগ শেষ করবে তৃতীয় হয়ে।

এবার লিগের আরেকটি লড়াইও ছিল। সেটা মোহামেডান ও সাইফের মধ্যে এএফসি কাপের প্লে-অফের কোয়ালিফাইং রাউন্ডের টিকিট পাওয়ার। সে লড়াইয়ে জিতেছে সাইফ। চ্যাম্পিয়ন আবাহনীর সঙ্গে ঘরোয়া ফুটবলের নতুন দলটি খেলবে এএফসি কাপে।

শনিবার প্রিমিয়ার লিগ শেষ হলেও বিশ্রাম পাচ্ছেন না খেলোয়াড়রা। মঙ্গলবারই শুরু হচ্ছে মৌসুমের শেষ টুর্নামেন্ট স্বাধীনতা কাপ। প্রিমিয়ারে খেলা ১২ নিয়েই হচ্ছে এ টুর্নামেন্ট। ব্যতিক্রম এতটুকুই, স্বাধীনতা কাপে থাকছে না বিদেশি খেলোয়াড়। স্থানীয়দের জন্য নিজেদের প্রমাণ করার দারুণ এক মঞ্চ স্বাধীনতা কাপ। ইতোমধ্যে এ টুর্নামেন্টের গ্রুপিং সম্পন্ন হয়েছে।

প্রিমিয়ার লিগে সবচেয়ে বেশি ৪৫ গোল করেছে রানার্সআপ শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। তারপরই ৩৫ গোল চ্যাম্পিয়ন আবাহনীর। ১৫টি করে গোল নিয়ে গোলদাতাদের শীর্ষে শেখ জামালের দুই বিদেশি খেলোয়াড় গাম্বিয়ার সলোমন কিং ক্যানফর্ম এবং নাইজেরিয়ার রাফায়েল ওদোভিন। স্থানীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৮ গোল করেছেন চট্টগ্রাম আবাহনীর তৌহিদুল আলম সবুজ এবং তারপরই আবাহনীর নাসির উদ্দিন চৌধুরী ৬ টি।

আরআই/এমএমআর/আইআই