ম্যারাডোনার কফিন খুলে সেলফি, চাকরি হারালেন কর্মী

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:১৯ পিএম, ২৭ নভেম্বর ২০২০

দিয়েগো ম্যারাডোনার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। প্রিয় তারকার হঠাৎ চলে যাওয়া মানতে পারছেন না তার ভক্ত-সমর্থকরা। আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তির শেষ যাত্রায় করোনাভীতি উপেক্ষা করেই নেমেছিল মানুষের ঢল।

পুলিশ দিয়েও এই ঢল ধরে রাখা যায়নি। বরং দফায় দফায় ম্যারাডোনার ভক্ত-সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। প্রাণের প্রিয় তারকাকে শেষবারের মতো দেখতে গিয়ে আবেগে যে কিছুতেই বাধ দিতে পারছিলেন না তারা।

ম্যারাডোনাকে এক নজর দেখার জন্য লাখো মানুষ ভীড় করেছেন। এর মধ্যে অনেকে দূর থেকেই কফিনের ছবি তুলেছেন। কেউবা তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সের ছবি তুলে সংরক্ষণ করেছেন। আর যারা কাছে ছিলেন, তারা তো সামনে থেকেই শেষবারের মতো দেখতে পেরেছেন কিংবদন্তি ফুটবলারকে। ছবি তুলেছেন, যে যেভাবে পেরেছেন।

তবে এই ছবি তুলতে গিয়েই ঝামেলা বাঁধিয়ে ফেলেছেন ম্যারাডোনার অন্তেষ্ট্যিক্রিয়ায় দায়িত্বরত এক কর্মী। কফিন খুলে ম্যারাডোনার সঙ্গে তিনি সেলফি তুলেছেন, যে সেলফিতে বুড়ো আঙুল উঁচু করে উদযাপনের ভঙ্গিমা ছিল।

তবু সেই ছবিটা নিজের কাছে রাখলে কথা ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন দিয়েগো মোলিনা নামের ওই ব্যক্তি। যার ফলশ্রুতিতে চাকরিটাই হারাতে হয়েছে তাকে।

অন্তেষ্ট্যিক্রিয়ার দায়িত্ব ছিল যে প্রতিষ্ঠানের, তাতেই চাকরি করেন মোলিনা। সৎকারের কাজে তার সহযোগিতা করার দায়িত্ব ছিল। সে সময়ই আবেগের বশে সেলফি তুলে ফেলেন। আর সেই সেলফি প্রকাশ হতেই চাকরি শেষ!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সে ছবি ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ম্যারাডোনার ভক্ত-সমর্থকরা। একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘তার আর্জেন্টাইন নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়া উচিত। কি করে এমন কাজ করলো। পুরোপুরি অশ্রদ্ধা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘কেউ এটা রিটুইট করবেন না।’

এমএমআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]