বিশ্বকাপ ক্রিকেটের অফিসিয়াল পার্টনার
আর কিছু দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ১১তম আসর। আগামী ১৪ই ফেব্রুয়ারি থেকে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটের এই মহাযজ্ঞ। ক্রিকেটের এই মহাযজ্ঞের ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে থাকছে বিশ্বের নামিদামি বেশ কয়েকটি কোম্পানি ও ব্র্যান্ড।
পেপসিকো: আইসিসির অফিশিয়াল স্ন্যাকস ও বেভারেজ পার্টনার পেপসিকো। আইসিসি ও পেপসিকোর এ পার্টনারশিপের মাধ্যমে বিশ্বের কোটি কোটি ক্রিকেট সমর্থক নিয়মিতই ক্রিকেটের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা খুঁজে পাবে। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে নীরবেই ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কাজটি করে যাচ্ছে পেপসিকো।
এমিরেটস: আইসিসির আরেক অফিশিয়াল পার্টনার এমিরেটস। আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১১ ও ২০১৫ এবং এর মাঝের সব বড় টুর্নামেন্টে (আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি) অফিশিয়াল পার্টনার হিসেবে এমিরেটস চুক্তিবদ্ধ।
রিলায়েন্স: ক্রিকেট বিশ্বকাপের ব্যবসায়িক অংশীদার রিলায়েন্স কমিউনিকেশন্স। ১৯৮৭ বিশ্বকাপের টাইটেল স্পন্সর ছিল রিলায়েন্স, পরেও ক্রিকেটের বড় বড় আসরের সঙ্গে ছিল তারা। এবার অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপেও ভেসে উঠবে তাদের লোগোটি।
এলজি ইলেকট্রনিকস: আইসিসির পুরনো বন্ধুদের মধ্যে অন্যতম এলজি ইলেকট্রনিকস। ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যে খেলাটিকে পৌঁছে দিতে এলজি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলাটির সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে যুক্ত রয়েছে তারা। এবার বিশ্বকাপেও কোম্পানিটি যথারীতি হাজির।
রিবোক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড: বর্তমানে অ্যাডিডাসের একটি সহায়ক কোম্পানি রিবোক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডও আইসিসির অফিশিয়াল পার্টনার হিসেবে কাজ করছে। ব্রিটেনভিত্তিক কোম্পানিটি খেলোয়াড়দের জার্সি, জুতা, মোজাসহ নানা সরঞ্জাম তৈরি করে থাকে।
ক্যাস্ট্রল: ২০১০ সালে আইসিসির সঙ্গে যুক্ত হয় ক্যাস্ট্রল। তাদের চুক্তিটা ২০১৫ বিশ্বকাপ পর্যন্ত। কোম্পানিটির পণ্যদূত হিসেবে কাজ করেন শচীন টেন্ডুলকার, রবি শাস্ত্রী ও হারশা ভোগলের মতো খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বরা।
হুন্দাই: হুন্দাই মোটরস ইন্ডিয়া লিমিটেড (এইচএমটিএল) দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানি হুন্দাই মোটরস কোম্পানির একটি সহায়ক কোম্পানি। পণ্যের প্রসারের লক্ষ্য নিয়েই তারা ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেই ধারাবাহিকতায় তারা বিশ্বকাপেরও অফিশিয়াল অংশীদার।
এছাড়া স্টার স্পোর্টস, সুপার স্পোর্টস, বিস্কাইবি, ইএসপিএন, ফক্স স্পোর্টস অস্ট্রেলিয়া, স্কাই টিভি নিউজিল্যান্ড, চ্যানেল নাইন, সিইউবি, ডিএম, ট্রেজারি ওয়াইনসও আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৫-এর বাণিজ্যিক অংশীদার।
গত আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে আইসিসির উদ্যোগে বাণিজ্যিক অংশীদারদের নিয়ে বিশেষ ‘ফোরাম’ বসে। সেখানে অংশ নেয় দুই আয়োজক দেশের ১৪টি ভেনু শহরের প্রতিনিধিরাও। এই ফোরামে বিশ্বকাপে বাণিজ্যিক পরিকল্পনা ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেয় আইসিসি।