এবার আইপিএল-এ উইকেট কিপিং-এ চিয়ার লিডাররা
দাবি উঠেছিল আইপিএল-এ চিয়ার লিডারদের লম্ফ-ঝম্প বন্ধ করার। এন শ্রীনিবাসনের বিদায়ের সঙ্গেই চিয়ার লিডারদের দুর্দিন শুরু হয়। সেই চিয়ার লিডারদেরই একেবারে মাঠের বাহির না করে বরং মাঠেই পুনর্বাসন করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। নতুন নিয়ম করা হচ্ছে, এবার উইকেটকিপিং করবেন চিয়ারলিডাররা!
এমনিতেই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটার শ্রীশান্ত, অঙ্কিত চৌহান ও অজিত চান্দদিলা। এই তিনজনই খেলতেন রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে। আইপিএলের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ার মতো ঘটনাই বটে।
তা ছাড়াও অনেকেরই মত, টানা সাত মৌসুমে খেলা চলায় দর্শকদের কাছে একঘেঁয়ে হয়ে পড়ছে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগের আসরটি! সব মিলিয়ে এবার একটু নড়েচড়েই বসেছে আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল।
এ নিয়ে হয়েছে বিভিন্ন সমীক্ষা। আইপিএলের বাঘা বাঘা কর্তাদের মিটিংও হয়েছে। যে করেই হোক আবারও আসরটির জনপ্রিয়তা বাড়াতে হবে। তারই অংশ হিসেবে এসেছে এই চিয়ার লিডার ইস্যুটিও।
চিয়ারলিডারদের উইকেটকিপার হিসেবে খেলানোর পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে আইপিএলের এক কর্তা বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে লাগে চারজন ব্যাটসম্যান, দুজন অলরাউন্ডার, আর চারজন বোলার। এই সুযোগে ১১ জনের দলে একজন চিয়ারলিডারকে মাঠে নামানো যায়। সে ক্ষেত্রে স্পনসরদের কাছে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা যাবে। স্পন্সসরা অতিরিক্ত টাকা দিতে রাজিও হয়েছেন। তবে তাদের শর্ত একটাই, চিয়ারলিডারদের উইকেটকিপার হিসাবে খেলাতে হবে! তাতে তাদের কোম্পানির নামটা সব ক্যামেরাতেই ভালো দেখা যাবে। আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিরাও এই নিয়মের বিরোধিতা করেনি।’
তার মানে রঙ্গভরা আইপিএল এবার ব্যতিক্রম কিছু উপহার দিতে চাইছে। যদি তা-ই হয়, বর্তমানের উইকেটকিপারদের যে নিজেদের অবস্থান নিয়ে আরেকবার ভাবতে হবে, সন্দেহ নেই।
এসআরজে