আজমলের ভয়াবহ ৮ মাস
অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে নিষিদ্ধ হয়ে ক্রিকেটের বাইরে থাকা ৮ মাসকে নিজের জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ সময় বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের অফ স্পিনার সাঈদ আজমল।
গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন সাঈদ আজমল। পরবর্তীতে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও বিশ্বকাপ দলে ফেরা হয়নি তিনি। ফলে খেলার বাইরে থাকা ওই ৮ মাসের বর্ণনা দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন সাঈদ আজমল।
তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট ছাড়া বেঁচে থাকা আমার জন্য স্রেফ কঠোর নির্যাতন। আমি যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে এই ৮টা মাস পেছনে ফেলে এসেছি।’
গত বছরের সেপ্টেম্বরে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের কারণে সাঈদ আজমলকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করে আইসিসি। সে সময় ওডিআই টপ র্যাঙ্কিংয়ে ছিলেন তিনি। নিষেধাজ্ঞা পেয়ে আজমল দলের কিংবদন্তি স্পিনার সাকলাইন মুশতাকের শরণাপন্ন হন। মুশতাকের কাছে প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনটি বোলিং পরীক্ষা দেন আজমল। অবশেষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তার নতুন বোলিং অ্যাকশনকে বৈধতা দেয় আইসিসি।
‘আমি নিষেধাজ্ঞার সময়টিতে কঠোর পরিশ্রম করছিলাম নিজেকে ফিরে পেতে। বিশ্বকাপের ৪৫ দিন ঘরে বসে টিভি দেখেছি। মাঝে মাঝে মনে হতো টিভির ভেতর দিয়ে ঢুকে যদি দলের হয়ে বল করতে পারতাম।’-যোগ করেন সাঈদ আজমল।
পাকিস্তান দলের জন্য খারাপ সময় গেছে স্বীকার করে সাঈদ আজমল বলেন, বিশ্বাস প্রতিভার মৃত্যু নেই। আগামী একবছরেই আমরা ঘুরে দাঁড়াব এবং দলকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাব।
একে/আরআই