পরিবেশবান্ধব কোম্পানির স্বীকৃতি পেলো অ্যাপল
পরিচালন ব্যবস্থার প্রায় সবক্ষেত্রে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করছে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ইউরোপ, চীনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। সম্প্রতি এ উদ্যোগের স্বীকৃতি পেল তারা।
বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে এবার সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব কোম্পানির স্বীকৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্রিনপিস। ফেসবুক, গুগল ও মাইক্রোসফটকে হটিয়ে এ খেতাব পেয়েছে অ্যাপল। খবর বিজনেস ইনসাইডার।
অ্যাপলের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টিম কুক দায়িত্ব নেয়ার পরই প্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রমকে পরিবেশবান্ধব করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ মেয়াদে জ্বালানির উৎসকে শতভাগ পরিবেশবান্ধব করতে চান তিনি। সাম্প্রতিক প্রকল্পগুলোয় তিনি তেল, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার নিরুৎসাহিত করছেন।
চলতি বছর আয়ারল্যান্ড ও ডেনমার্কে দুটি ডাটাসেন্টার তৈরির কাজ শুরু করেছে ক্যালিফোর্নিয়ার কুপার্টিনোভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠান। দুটো ডাটাসেন্টারেরই শক্তি জোগাবে সৌরবিদ্যুৎ। একই উৎসের শক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে চীনের সিচুয়ান প্রদেশের দুটি প্রকল্পেও। এজন্য অ্যাপল নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিশাল এলাকাজুড়ে সৌর প্যানেল বসিয়েছে।
গ্রিনপিসের প্রতিবেদনে পরিবেশবান্ধব কোম্পানিগুলো নিয়ে তৈরি তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে অ্যাপল। ক্লিন এনার্জি সূচকে অ্যাপলের অর্জন শতভাগ। প্রতিষ্ঠানটি তাদের পরিচালন ব্যবস্থায় প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ও পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে না। জ্বালানি ব্যবহারে স্বচ্ছতা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি ব্যবহারে অঙ্গীকার এবং এগুলো ব্যবহার ও এর পক্ষে ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে প্রচারণা এ চারটি বিষয়ের সবগুলোতেই অ্যাপলের অর্জন ‘এ’।
সবুজ পরিবেশকে অটুট রাখার এ চেষ্টার স্বীকৃতি আগেও পেয়েছে অ্যাপল। গত বছর ফরচুন সাময়িকীর এক প্রতিবেদনেও অ্যাপলকে বিশ্বের সবচেয়ে সবুজ কোম্পানির স্বীকৃতি দেয়া হয়। ফরচুনের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকৃতির প্রতি এ যত্নশীলতা অ্যাপলের প্রতি গ্রাহকদেরও আকৃষ্ট করছে।
এআরএস/আরআইপি