খেজুরের রসে পাঁচগুণ লাভের আশা গাছি শহিদ মোল্লার

উপজেলা প্রতিনিধি
উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)
প্রকাশিত: ১২:২৮ পিএম, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
বাগানটিতে ২৭টি খেজুর গাছ আছে, ছবি: জাগো নিউজ

শীত এলেই খেজুরের রসের চাহিদা বাড়ে। তাই তো নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের গাছি মো. শহিদ মোল্লা (৪৬) রসের চাহিদা মেটাচ্ছেন। তার বাগানের খেজুরের রসের টানে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন মানুষ ভিড় জমান।

জানা যায়, মো. শহিদ মোল্লার জন্ম ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায়। দীর্ঘ ৯ বছর বিভিন্ন জেলায় ঘুরে খেজুর বাগান কিনে মৌসুমি ব্যবসা করে যাচ্ছেন। এ বছর ৫০ হাজার টাকায় সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হামছাদী এলাকায় ১০ শতাংশ জমির খেজুর বাগান কেনেন। মৌসুমি চুক্তিতে কেনা বাগানটিতে ২৭টি গাছ আছে। গাছগুলো থেকে প্রতিদিন অন্তত ৬০-৬৫ লিটার রস সংগ্রহ করেন। লিটারপ্রতি ১৫০-১৬০ টাকা বিক্রি করেন।

jagonews

গাছি মো. শহিদ মোল্লা জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘রাকিব নামের একজনের সহযোগিতায় তার সঙ্গে পার্টনারশিপ চুক্তিতে ৫০ হাজার টাকায় বাগানটি কিনেছি। ডিসেম্বর থেকে রস নামানো শুরু করে এখন পর্যন্ত ২ লাখ টাকার মতো বিক্রি করেছি। আরও ১ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো। আমি ভোর আর রাত ৯টায় রস নামিয়ে থাকি। প্রতি লিটার ১৫০-১৬০ টাকা দরে মানুষকে দিই। এখানে খেজুরের বাগান কম থাকায় ব্যাপক চাহিদা আছে।’

আরও পড়ুন
চাঁদপুরে খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা 
ভেজালমুক্ত খেজুর গুড়ের উদ্যোক্তা তরুণ নার্স সিজান 

তিনি বলেন, ‘রসের ব্যবসা মাত্র তিন মাসের। পুরো বছর এই তিন মাসের অপেক্ষায় থাকি। ডিসেম্বর থেকে গাছের পরিচর্যায় আমি এবং আমার পার্টনার কাজ করছি। আমি কৃষি অফিসের কাউকে চিনি না। তাদের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করতে পারিনি।’

jagonews

খেজুরের রস নিতে এসে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন রাকিবুল। তিনি বলেন, ‘রস পাওয়া যাবে বলে রায়েরবাগ থেকে এসেছিলাম। তবে আমরা অবেলায় আসার কারণে আজ পাইনি। অন্য কোনো দিন সময় অনুযায়ী আবার আসবো।’

সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাইদ তারেক জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা নিয়মিত কৃষকদের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। মূলত বর্তমানে প্রণোদনা কম আছে। তবুও কৃষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। আমি খেজুরের রসের বিষয়ে খোঁজ নেবো।’

মো. আকাশ/এসইউ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।