বিশ্বকবির মজার ঘটনা: ভান্ডারের দুষ্টামি

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৩৯ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০২২

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেমন ভারী ভারী গল্প-উপন্যাস লিখেছেন। তেমনি মানুষটি কিন্তু একেবারেই রাশভারী ব্যক্তি ছিলেন না। বরং বেশ রসিক মানুষ ছিলেন বলেই জানা যায়। যার প্রমাণ পাওয়া যায় বেশকিছু ঘটনায়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেশিরভাগ সময় শান্তিনিকেতনেই কাটিয়েছেন। একবার শান্তিনিকেতনে নতুন একটি ছেলে ভর্তি হয়েছে, তার নাম ভান্ডারে। ছেলেটির সঙ্গে তখনো রবীন্দ্রনাথের পরিচয় হয়নি।

রবীন্দ্রনাথ একদিন শান্তিনিকেতনের পথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন, তার পরনে দীর্ঘ আলখাল্লা, মাথায় টুপি। ভান্ডারে তাকে দেখে ছুটে গিয়ে হাতে আধুলি মানে আটআনা পয়সা দিয়ে এলো। অন্য ছেলেরা জিজ্ঞাসা করলো, ‘গুরুদেবকে তুই কী দিলি?’

‘গুরুদেব কোথায়? ও তো একজন ফকির। মা বলেছে ফকিরকে দান করলে পুণ্যি হয়।’ ভান্ডারের সাফ জবাব।

যা হোক, অল্পদিনেই বোঝা গেল ভান্ডারে ভীষণ দুরন্ত ছেলে। তার দৌরাত্মিতে ছাত্র শিক্ষক সবাই অস্থির। নালিশ গেল গুরুদেবের কাছে। গুরুদেব তাকে ডেকে বললেন, ‘ভান্ডারে তুই কত ভালো ছেলে। তুই একবার আমাকে একটা আধুলি দিয়েছিলি। কেউ তো আমাকে একটা পয়সাও কখনো দেয় না। তুই যদি দুরন্তপনা করিস, তা হলে কি চলে?’

গুরুদেবের কথায় ভান্ডারের দুষ্টুমি কিছুটা কমেছিল বটে।

লেখা: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রিয় পাঠক, আপনিও অংশ নিতে পারেন আমাদের এ আয়োজনে। আপনার মজার (রম্য) গল্পটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়। লেখা মনোনীত হলেই যে কোনো শুক্রবার প্রকাশিত হবে।

কেএসকে/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।