রাবি শিবিরের নববর্ষ প্রদর্শনীতে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৬:১৭ পিএম, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
রাবি শিবিরের নববর্ষ প্রদর্শনীতে ঠাঁই পেয়েছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য/ছবি-জাগো নিউজ

বাঙালির আবহমানকালের অন্যতম উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রশিবির। বাংলা নববর্ষের ইতিহাস, গ্রামীণ চিরায়ত জীবনধারা ও মুসলিম ঐতিহ্য নিয়ে সংগঠনটি আয়োজন করেছে ‌‘নববর্ষ প্রদর্শনী উৎসব’।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে প্রদর্শনী উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।

প্রদশর্নী উৎসবে বাংলা নববর্ষ গণনা ও এর ঐতিহাসিক পটভূমি, গ্রামীণ চিরায়ত জীবনধারা, বাঙালি মুসলমানের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন উপাদান এবং ঘটনাপ্রবাহ প্রদর্শন করা হয়।

রাবি শিবিরের নববর্ষ প্রদর্শনীতে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য

নববর্ষ উৎসব দেখতে আসা দর্শনার্থী ইব্রাহিম বলেন, ‘প্রদর্শনীতে বাঙালির পুরোনো ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছি। পুরোনো দিনের লাঙল, হ্যাজাক লাইট, বিভিন্ন আসবাবসামগ্রী, পালকি—এগুলো দেখলে বাঙালির পুরোনো দিনের কথায় মনে পড়ে যায়।’

আয়োজন নিয়ে শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজীব বলেন, ‘আজকের প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাংলার নববর্ষের ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি গ্রামীণ চিরায়ত জীবনধারা ও মুসলিম ঐতিহ্যের বিভিন্ন উপাদান উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি।’

রাবি শিবিরের নববর্ষ প্রদর্শনীতে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য

তিনি আরও বলেন, প্রদর্শনীতে পালকি, গরুর গাড়ি, ঢেঁকি, কৃষিকাজে ব্যবহৃত লাঙল, জোয়ালসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী উপকরণ প্রদর্শন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আয়োজনটি অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে উপভোগ করছেন।

বিতর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথমে আমরা ‘বৈশাখী আকবর’ নামটি নির্বাচন করেছিলাম। তবে এটি নিয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে কিছু বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় আমাদের মূল উদ্দেশ্যকে প্রাধান্য দিয়ে নামটি পরিবর্তন করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যেতে বসা সাংস্কৃতিক উপাদানগুলোর পরিচয় তুলে ধরা।

মনির হোসেন মাহিন/এসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।