আবারো জাবি শিক্ষক লাঞ্ছিত
আবারো কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তার হাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষক সস্ত্রীক লাঞ্ছিত হয়েছেন। লাঞ্ছনার শিকার শিক্ষক জাবির ভূ-তাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. হাসান ইমাম ও তার স্ত্রী নাগরপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক।
শনিবার সকাল পৌনে ১০টা দিকে সাভারের নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে পুলিশ সদস্য মো. আলমগীর কর্তক এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় লাঞ্ছনার শিকার শিক্ষক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগপত্রে সহকারী অধ্যাপক মো. হাসান ইমাম উল্লেখ্য করেন, সকাল পৌনে ১০টার দিকে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে তার কলেজে ডিগ্রি পরীক্ষার পরীক্ষকের দায়িত্ব থাকায় নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে যান। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাকে (নবীনগর, হানিফ কাউন্টার সংলগ্ন রাস্তায়) পরীক্ষকের দায়িত্ব থাকার বিষয়টি জানিয়ে স্মৃতিসৌধের অপরপ্রান্তে (আরিচামুখী রোডে) কোনো গাড়ি চলাচল করছে কি-না জানতে চাইলে আমার স্ত্রী ও আমার সঙ্গে অসংলগ্ন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এ সময় আমি ও আমার স্ত্রী পরিচয় দেওয়া স্বত্ত্বেও আমাদের ব্যক্তিগতভাবে অপমান করে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় সর্ম্পকেও কটাক্ষমূলক মন্তব্য করেন। এ সময় তার সঙ্গে আরো কয়েকজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ সদস্য আমার ও আমার স্ত্রীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।
এদিকে, অভিযোগপত্রে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব অনুধাবন করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষদের ভাবমূর্তি ক্ষুণকারী পুলিশ সদস্যের অসদাচরণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান অধ্যাপক মো. হাসান ইমাম।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক আবুল হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আমরা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবো।’
এর আগে গত ৯ মে পুলিশ কর্মকর্তা কতৃক জাবির সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যাম অধ্যয়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাকিব আহমেদ উত্তরা হাউজিং এলাকায় মা-বাবার সামনে লাঞ্ছনার শিকার হন। আর ওই লাঞ্চনার ঘটনায় সার্জেন্ট ইমরানকে বরখাস্ত করে ঘটনার তদন্তের জন্য পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
হাফিজুর রহমান/এআরএ/আরআই