বেরোবি উপাচার্যের নাচের ভিডিও ভাইরাল

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ১০:৫৯ এএম, ২৮ জুন ২০১৯

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর একটি হিন্দি গানে নাচের ভিডিও ইতোমধ্যে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই ভিডিওটি নিয়ে উপাচার্যের পক্ষে-বিপক্ষে বইছে সমালোচনার ঝড়।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ২০১৭ সালে যোগদানের পর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর ২০১৫-১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের রাতে ‘আই অ্যাম ডিস্ক ড্যান্সার’ গানে নাচ করেন। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ওই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. সাইদুর রহমান ও অন্যবিভাগের একজন শিক্ষককেও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নাচতে দেখা যায়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি শেয়ার করে রংপুরের এক স্থানীয় সাংবাদিক রতন সরকার লিখেছেন ‘বেরোবি : ভিসি নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর সেন্টার অব এক্সিলেন্স।’ তার শেয়ার করা ভিডিওতে উপাচার্যের এমন নাচের পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে মন্তব্য করতে দেখা গেছে অনেককেই।

ভিডিওর মন্তব্যে কেউ কেউ বলছেন, বিদেশি গানের সঙ্গে উপাচার্যের এমন নাচ অশোভনীয়। যেখানে উপাচার্যকে ‘মাতাল’ হিসেবেও অভিহিত করেছেন অনেকে। আবার কেউ কেউ বলছেন বিষয়টি তার ব্যক্তিগত৷

তবে নাচের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. সাইদুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, একটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিদায়ে উপাচার্যকে আমন্ত্রণ জানালে তিনি আসেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনন্দ করেন। এখানে অশালীন কিছু হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এসব ভিডিও প্রকাশ অনুচিত।

সার্বিক বিষয়ে কথা বলতে উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১৪ জুন উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ যোগদানের পর থেকেই তিনি ঢাকা থেকে বেরোবিতে অফিস করেন। যদিও রাষ্ট্রপতি ও আচার্য তাকে যে চারটি শর্তে নিয়োগ দিয়েছেন, তার একটি হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকতে হবে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপাচার্যের জন্য বাড়ি করে দিয়েছে সরকার। তাই নিজ দায়িত্বের বাইরে অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, ট্রেজারারসহ একাধিক প্রশাসনিক দায়িত্ব নিয়ে ক্যাম্পাসে ধারাবাহিক অনুপস্থিতি নিয়ে বারবার সংবাদ হয়েছেন উপাচার্য কলিমউল্লাহ।

সজীব হোসাইন/এফএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]