শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত কাল

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৮:১৭ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০২১

সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় দুই দফা সময় নিয়েও তদন্ত কমিটির কাছে বক্তব্য উপস্থাপন করতে আসেননি অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১টায় তদন্ত কমিটির কাছে তার বক্তব্য উপস্থাপন করার কথা ছিল। কমিটি তার জন্য বিকেল ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও তিনি আসেননি। পরে ওই শিক্ষিকার সঙ্গে কথা না বলেই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সোহরাব আলীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন কমিটির পাঁচ সদস্য।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও তদন্ত কমিটির প্রধান লায়লা ফেরদৌস হিমেল।

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমরা অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের জন্য বিকেল ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও তিনি আসেননি এবং কোনো যোগাযোগও করেননি। পরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অন্যদের সঙ্গে কথা বলে এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।

লায়লা ফেরদৌস আরও বলেন, আমরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলেও তা এখনো খোলা হয়নি। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় সবার সামনে এটা খোলা হবে। উপস্থিত সিন্ডিকেট সদস্যদের আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী করণীয় ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে বেশিরভাগ সিন্ডিকেট সদস্য ঢাকায় অবস্থান করায় সিন্ডিকেট সভা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তদন্ত কমিটির প্রধান।

এ ব্যাপারে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রেজারার আব্দুল লতিফ বলেন, তদন্ত কমিটি আজ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। শুক্রবার সিন্ডিকেট সভায় সবার সামনে এটি উন্মোচন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, কমিটির দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সিন্ডিকেট সভায় ওই শিক্ষিকার বিষয়ে করণীয় ঠিক করা হবে। যদি অপরাধ প্রমাণ হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা ওই সভায়ই সিদ্ধান্ত হবে।

অভিযুক্ত ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এসআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]