ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় চলছে শৈলকুপা ইউপির প্রচারণা
ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও নানা অভিযোগের মধ্য দিয়ে চলছে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা। পোস্টারে পোস্টারে ছেঁয়ে গেছে হাতে গোনা কয়েকটি ইউনিয়ন। দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলছে মাইকিং।
এই প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে ইউপি নির্বাচন হওয়ায় কোনো কোনো ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের লড়াইটা জমে উঠেছে।
এদিকে, এ উপজেলার অনেক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় নির্বাচনী সহিসংতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ষষ্ঠ ধাপের নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ঘুরছেন প্রার্থীরা।
ঝিনাইদহ জেলা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত শৈলকুপা উপজেলা। এ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে আগামী ৪ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৪টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা রয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ২১ হাজার ১৪৯ ও নারী ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ২৯৮ জন।
১৪টি ইউনিয়নের ১২৬টি ওয়ার্ডের ১৪০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন ৪৪ জন, সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১২১ ও সাধারণ ওয়ার্ডে ৩৭৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আওয়ামী লীগ, স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থীরা বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। অন্যদিকে, বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা থাকায় দু’একটি ইউনিয়ন ছাড়া তেমন কাউকেই নির্বাচনী মাঠে দেখা যাচ্ছে না। গ্রেফতার আতঙ্ক মাথায় নিয়েই নিরবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। 
সাধারণ জনগণ সৎ, যোগ্য ও এলাকার উন্নয়নের কাজ করবে এমন প্রার্থীকেই নির্বাচিত করবে। সাধারণ ভোটারদের দাবি তারা যেন নির্বেঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এমনটিই তাদের প্রত্যাশা।
এদিকে, আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় বাধাদান, ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোসহ বিভিন্ন অভিযোগ দিতে দেখা গেছে বিএনপি, স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থীদের। এছাড়াও উপজেলার মীর্জাপুর, উমেদপুর, নিত্যানন্দনপুর ও আবাইপুরসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতা বিরূপ আকার ধারণ করেছে। যা নিয়ন্ত্রণ করতে অনেক সময় প্রশাসনকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
আহমেদ নাসিম আনসারী/এসএস/এমএস