হুজির অপারেশন লিডার বাশার রিমান্ডে


প্রকাশিত: ১২:৪৫ পিএম, ১৬ জুন ২০১৬

সিদ্ধিরগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষে সালাউদ্দিন নামে এক ট্রাক চালককে পিটিয়ে হত্যা মামলায় হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামী (হুজি)’র বাংলাদেশের অপারেশন কমান্ডার ইব্রাহীম ওরফে খায়রুল বাশার ওরফে বাশার হুজুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতার খায়রুল বাশারকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহম্মেদ সিদ্দিকীর আদালতে হাজির করে পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের এসআই গোলাম হোসেন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১৩ জুন বন্দর থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার নোয়াদ্দা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খায়রুল বাশার ওরফে ইব্রাহিম ওরফে বাশার হুজুর পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানে উচ্চতর প্রশিক্ষণের কথা অকপটে স্বীকার করেন। মূলত দেশে ইসলামী আন্দোলন প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামীবিরোধীদের প্রতিহত করতেই তিনি ওই প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

জানা গেছে, ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ টিম বন্দর এলাকা থেকে খায়রুল বাশারকে গ্রেফতার করে। তিনি বন্দর উপজেলার সালেহনগর এলাকার নতুন জামে মসজিদে কয়েক বছর ধরে ইমামতি করছিলেন।

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে উচ্চতর সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই ভয়ঙ্কর জঙ্গি কমান্ডার এলাকাবাসীর কাছে ‘ভালো মানুষ’ ইব্রাহীম হুজুর নামে পরিচিত ছিলেন। ইমামতির আড়ালে বন্দর এলাকা থেকেই পরিচালনা করতেন জঙ্গি কার্যক্রম।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুত তাহরীর, হিযবুত তাওহীদ, জেএমবি, আল্লাহ’র দলসহ বেশ কয়েকটি উগ্র মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠনের সমন্বয়ে `বাংলাদেশ জিহাদি গ্রুপ` নামে নতুন একটি সংগঠন সৃষ্টি করার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন গ্রেফতার হওয়া ইব্রাহীম।

গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে কয়েক মাস কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে এসে ইব্রাহীম বাশার তার পুরনো কমক্ষেত্র সালেহনগর মসজিদে আবার ইমামতি করছিলেন।

শাহাদাত হোসেন/এসএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।