সিলিন্ডারে ‘মরণফাঁদ’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৩:৪৯ পিএম, ১৭ মে ২০২৬
বগুড়া শহরের একটি গুদামে ঝুঁকিপূর্ণভাবে মজুত করে রাখা হয়েছে উচ্চচাপের অক্সিজেন ও দাহ্য গ্যাসের সিলিন্ডার/ছবি: জাগো নিউজ

বিস্ফোরক লাইসেন্স ছাড়াই মজুদ-রিফিলিং
মেডিকেলের নামে বিক্রি হচ্ছে শিল্পের অক্সিজেন
এক জায়গার লাইসেন্সে উৎপাদন অন্য জায়গায়

বগুড়া শহরজুড়ে নীরবে তৈরি হয়েছে একেকটি ‘বোমা ঘর’। আবাসিক ভবনের পাশেই স্তূপ করে রাখা হচ্ছে উচ্চচাপের অক্সিজেন ও দাহ্য গ্যাসের সিলিন্ডার। কোথাও দোকানের ভেতর, কোথাও গলির মাথায়, আবার কোথাও ব্যস্ত সড়কের পাশে চলছে এসব গ্যাসের মজুত, পরিবহন ও রিফিলিং কার্যক্রম। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশেরই নেই বিস্ফোরক পরিদপ্তরের অনুমোদন। ফলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শঙ্কায় রয়েছেন শহরবাসী।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আরও ভয়াবহ তথ্য। মেডিকেল অক্সিজেনের নামে কোথাও কোথাও সরবরাহ করা হচ্ছে শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত গ্যাস। নিয়মিত হাইড্রো টেস্ট ছাড়াই ব্যবহার হচ্ছে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সিলিন্ডার। আর পুরো কার্যক্রম চলছে প্রশাসনের চোখের সামনেই।

লাইসেন্স এক জায়গায়, কার্যক্রম অন্যত্র :

বগুড়ার বৃহৎ পরিসরে অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান স্পেকট্রা অক্সিজেন লিমিটেডের রিফিলিং ও মজুতের লাইসেন্স রয়েছে শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ এলাকার প্ল্যান্টের নামে। বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী, লাইসেন্সে উল্লেখিত নির্দিষ্ট স্থানেই গ্যাস সংরক্ষণ, রিফিলিং ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা। কারণ এসব স্থাপনার জন্য নিরাপদ দূরত্ব, খোলা জায়গা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং জরুরি প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়।

সিলিন্ডারে ‘মরণফাঁদ’

কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি শর্ত ভেঙে ২০ কিলোমিটার দূরে বগুড়া শহরের জনবহুল তিনমাথা রেলগেট এলাকায় একমাত্র রিফিলিং পয়েন্ট করেছে। সেখানে মেডিকেল অক্সিজেন উৎপাদন করা হয়। আবাসিক ভবন, দোকানপাট ও যানজটপূর্ণ সড়কঘেরা এ এলাকায় নিয়মিত গ্যাসবাহী ট্যাংকার প্রবেশ এবং সেখান থেকেই খালাস ও সিলিন্ডার রিফিলিংয়ের কাজ চলে।

বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধি অনুযায়ী, এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক লাইসেন্স, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং স্থান উপযোগিতা যাচাই বাধ্যতামূলক। কিন্তু স্পেকট্রা অক্সিজেন লিমিটেড তিনমাথা এলাকার এ কার্যক্রমের জন্য কোনো আলাদা অনুমোদন নেয়নি। লাইসেন্সের ঠিকানা ব্যবহার করে ভিন্ন স্থানে তাদের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে।

আরও পড়ুন
পুরোনো এলপিজি সিলিন্ডার কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?
সিলিন্ডার গ্যাস নিয়ে অরাজকতার মধ্যে পাইপলাইনের গ্যাসও নিভু নিভু
যানবাহনের ৮০ শতাংশ সিলিন্ডারের পুনঃপরীক্ষা হয় না

স্থানীয় বাসিন্দা মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, দিনের তুলনায় রাতেই এখানে গ্যাস খালাস ও রিফিলিংয়ের পরিমাণ বেশি হয়। গভীর রাতে একাধিক ট্যাংকার ঢুকিয়ে অনেকটা গোপনে কাজ শেষ করা হয়।

সিলিন্ডারে ‘মরণফাঁদ’

স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন বলেন, একদিকে যেমন নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিস বা জরুরি সেবার পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়বে।

এ ব্যাপারে স্পেকট্রা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ম্যানেজার মেহেদী হাসান জানান, শেরপুরের গাড়িদহে তাদের রিফিলিং পয়েন্ট নেই। তারা বগুড়ার তিনমাথাতেই শুরু থেকে কার্যক্রম চালাচ্ছে। তাদের উৎপাদন করা অক্সিজেন বিভিন্ন হাসপাতালে ব্যবহার হয়।

লাইসেন্সহীন বাণিজ্যের বিস্তার

শহরের কামারগাড়ি, তিনমাথা, মফিজ পাগলা মোড়, বনানী, বাদুরতলা, ফুলতলা ও মেডিকেল রোডসংলগ্ন এলাকা এখন ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস মজুতের বড় কেন্দ্র। যেসব দোকান বা ছোট গুদামে সাধারণত হার্ডওয়্যার, ওয়েল্ডিং সরঞ্জাম বা ইলেকট্রনিক পণ্য থাকার কথা, সেসব জায়গাতেই রাখা হচ্ছে উচ্চচাপের অক্সিজেন সিলিন্ডার, দাহ্য এসিটিলিন, নাইট্রাস অক্সাইডসহ বিভিন্ন শিল্প ও মেডিকেল গ্যাস। বেশিরভাগ গুদামেই একই স্থানে বিভিন্ন ধরনের গ্যাস একসঙ্গে মজুত করায় ঝুঁকি বেড়েছে বহুগুন।

কামারগাড়ি এলাকায় মেসার্স নবেল ট্রেডার্স নতুন পরিচয়ে নবেল ফায়ার ফাইটিং নামে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে। একই প্রতিষ্ঠানের আরেকটি শাখা মফিজ পাগলা মোড়ে সিলভী ট্রেডার্স অক্সিজেন নামে পরিচালিত হচ্ছে। তাদের ট্রেড লাইসেন্স ও ফায়ার লাইসেন্স থাকলেও বিস্ফোরক পরিদপ্তরের কোনো অনুমোদন নেই।

প্রতিষ্ঠানের মালিক এস.এম শাহেদ বলেন, এভাবেই আমরা ব্যবসা করি। কখনো সমস্যা হয়নি।

একই চিত্র সিয়াম অক্সিজেন অ্যান্ড ফায়ার সেফটি নামের প্রতিষ্ঠানের। যেখানে শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে উচ্চচাপের দাহ্য গ্যাসের ব্যবসা চলছে।

সিলিন্ডারে ‘মরণফাঁদ’

প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী নয়ন মন্ডল নিজেই স্বীকার করেছেন, তার বিস্ফোরক লাইসেন্স নেই এবং আবেদন করেননি। লাইসেন্স ছাড়া কেন ব্যবসা করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ছোট ব্যবসায়ী, আমাদের এগুলো লাগে না।

তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, পরিবহন বা রিফিলিং করতে হলে বিস্ফোরক লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। কিন্তু ছোট পরিসরের ব্যবসার আড়ালে অনেক প্রতিষ্ঠানই ৫০ থেকে শতাধিক সিলিন্ডার মজুত করছে।

শহরের বনানী এলাকার মামুন ট্রেডার্স, সেফ লাইফ অক্সিজেন সার্ভিস এবং ফুলতলার নূর এন্টারপ্রাইজসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে আরও ১০টি বিক্রয়কেন্দ্রের সবখানেই একই ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেছে। তাদের কাছে পৌরসভা ট্রেড লাইসেন্স থাকলেও সবচেয়ে জরুরী বিস্ফোরক লাইসেন্স নেই। এরপর তারা দাহ্য গ্যাসের মজুত ও বিক্রি করছে।

শিল্পের গ্যাস, রোগীর ফুসফুসে

মেডিকেল অক্সিজেনের নামে শিল্পে ব্যবহৃত ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস সরবরাহের মতো গুরুতর অভিযোগ করেছেন অনেক ব্যবসায়ি।
বাদুরতলা এলাকার নিউ নবেল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী রাহেদ শেখ বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাসের সিলিন্ডার ধুয়ে-মুছে, রং করে মেডিকেল অক্সিজেন হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছে। বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় থাকে না। বিভিন্ন ক্লিনিকে এ গ্যাস কম দামে সরবরাহ করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেডিকেল অক্সিজেন এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অক্সিজেনের পার্থক্য কেবল ব্যবহারে নয় বরং এটার মান, বিশুদ্ধতা ও নিরাপত্তা মানদণ্ডে। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, মেডিকেল অক্সিজেনের বিশুদ্ধতা সাধারণত ৯৯ শতাংশ বা তার বেশি হতে হয়। এতে আর্দ্রতা, তেল, কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ ক্ষতিকর উপাদানের মাত্রা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকে। উৎপাদন থেকে শুরু করে সিলিন্ডার ভরার প্রতিটি ধাপে থাকে মান নিয়ন্ত্রণের বাধ্যতামূলক প্রটোকল।

সিলিন্ডারে ‘মরণফাঁদ’

অন্যদিকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অক্সিজেন মূলত ওয়েল্ডিং, কাটিং বা শিল্পকারখানার কাজে ব্যবহৃত হয়। যেখানে এমন সূক্ষ্ম মান নিয়ন্ত্রণ অনুসরণ করা হয় না। ফলে এতে বিভিন্ন ধরনের অশুদ্ধি, তেল বা আর্দ্রতা থাকার ঝুঁকি থাকে।

চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের অশুদ্ধ গ্যাস সরাসরি রোগীর শরীরে গেলে তা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করবে। বিশেষ করে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে মেডিকেল অক্সিজেনের বিশুদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস ব্যবহারে রোগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশন হঠাৎ কমে যেতে পারে। শ্বাসপ্রশ্বাসের জটিলতা বাড়তে পারে, এমনকি ফুসফুসের টিস্যু স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। গুরুতর ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক মৃত্যুঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন
গ্যাসের সিলিন্ডার দুর্ঘটনা এড়াবেন যেভাবে
রান্নাঘরের ‘মৃত্যুফাঁদ’ গ্যাস সিলিন্ডার
সিলিন্ডার গ্যাসের দাম নিয়ে থামছে না নৈরাজ্য
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনারোধে হাইকোর্টের রুল

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ নাজমুল হাসান বলেন, রোগী বা তার স্বজনরা সাধারণত সিলিন্ডারের উৎস বা মান যাচাই করতে পারেন না। ফলে অজান্তেই তারা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাচ্ছেন। এই অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আরেকটি গুরুতর বিষয় সিলিন্ডারের নিরাপত্তা পরীক্ষা উপেক্ষা করা। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি গ্যাস সিলিন্ডারকে প্রতি ৫ বছর অন্তর ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক টেস্ট’ বা হাইড্রো টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষা করতে হয়। এতে সিলিন্ডারের ধাতব কাঠামো, চাপ সহনশীলতা এবং সম্ভাব্য ত্রুটি শনাক্ত করা হয়। কিন্তু বগুড়ার অধিকাংশ ব্যবসায়ী এই নিয়ম মানেন না। অনেকেই জানেই না এই টেস্টের কথা। এ কারণে বছরের পর বছর ধরে ব্যবহৃত, মরিচা ধরা বা দুর্বল সিলিন্ডারও তারা গ্যাস রিফিলিং করে।

কর্তৃপক্ষ যা বলছে

বিস্ফোরক পরিদপ্তর সূত্র (রাজশাহী) বলছে, বগুড়ায় বর্তমানে গ্যাস মজুত ও সরবরাহের বৈধ লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫টি।

বিস্ফোরক পরিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের সহকারী পরিদর্শক মোজাহিদুর ইসলাম বলেন, এরমধ্যে সদরের পূর্ব পালশা ও শিবগঞ্জের মোকামতলা এলাকার পিওর অক্সিজেন সাপ্লায়ার, শহরের কারমাইকেল রোডের অক্সিজেন পয়েন্ট, কামারগাড়ির ফায়ার সেইফটি ইকুইপমেন্টস’এর রয়েছে। এছাড়া শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ এলাকায় স্পেকট্রা অক্সিজেন লিমিটেডেরও মজুদ ও সরবরাহ লাইসেন্স রয়েছে। কিন্তু তাদের অন্যজায়গায় রিফিলিং ও মজুদের অনুমতি নেই।

সিলিন্ডারে ‘মরণফাঁদ’

মোজাহিদুর বলেন, বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪ এবং গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া গ্যাস মজুত, রিফিলিং বা বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

এ কর্মকর্তা বলেন, লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর কার্যক্রম চালানো, লাইসেন্সে উল্লেখিত নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে সিলিন্ডার সংরক্ষণ, কিংবা একটি লাইসেন্সের বিপরীতে একাধিক বা ভিন্ন নামে ব্যবসা পরিচালনাও সরাসরি আইন লঙ্ঘনের শামিল। এসব অনিয়মের জন্য জেল-জরিমানা হতে পারে।

তিনি বলেন, অক্সিজেন বা এসিটিলিনের মতো উচ্চচাপের গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন লাগলে এর ভয়াবহতা কয়েকশ মিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। একটি মাত্র সিলিন্ডার থেকেই আশপাশের অন্যান্য সিলিন্ডারে ‘চেইন রিঅ্যাকশন’ তৈরি হয়ে মুহূর্তের মধ্যে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডে ঘটবে।

বগুড়া ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন, অগ্নিনির্বাপনের নিয়ম ভঙ্গকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে তালিকা করা হচ্ছে। শহরের ভেতরে যেভাবে বিভিন্ন গ্যাসের সিলিন্ডার মজুত করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এভাবে উচ্চচাপের গ্যাস সিলিন্ডার সংরক্ষণ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

বগুড়ার সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ আলম বলেন, মেডিকেল অক্সিজেনের জায়গায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল অক্সিজেন ব্যবহার করা হলে তা সরাসরি রোগীর জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। এতে শ্বাসকষ্ট, অঙ্গ বিকল হওয়া এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

তিনি বলেন, কারা এসব করছে এ বিষয়ে আমি জানি না। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এল.বি/কেএইচকে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।