আব্দুল্লাহর সহযোগী আলমগীরের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি


প্রকাশিত: ০৫:১১ পিএম, ০৪ আগস্ট ২০১৬

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের হাতে আটক আলমগীর কবির একজন জেএমবি সদস্য ও কল্যাণপুরে নিহত জঙ্গিদের সহযোগী ছিলেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত ৬- এর বিচারক গোপাল চন্দ্রের নিকট তিনি এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

আদালতের একটি সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে আলমগীর জেলার দক্ষিণাঞ্চলের ৫টি উপজেলা ফুলবাড়ি, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, বিরামপুর ও হাকিমপুরে জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত এবং সরকার-বিরোধী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর পরিকল্পনার পুরো তথ্য দিয়ে জবানবন্দি প্রদান করেছেন। জবানবন্দিতে তার সহযোগী জেএমবি সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।

সূত্রটি জানায়, গত ২৫ জুন দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কৃষ্ণকমল রায়ের আদালতে ঘোড়াঘাট উপজেলার দেওগ্রামের গালিবুর রশিদ, হাকিমপুর উপজেলার পাউসগাড়া গ্রামের আবু নাঈম আজাদ ওরফে নাইম ও হামিদুল হক মাকতুসের সঙ্গে তার জঙ্গি কার্যক্রম জড়িত ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

দিনাজপুর ডিবি পুলিশের এসআই বজলুর রশিদ বিষয়টি স্বীকার করে জানান, গত মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ নবাবগঞ্জ উপজেলার ভল্লবপুর গ্রামের শ্রীকৃষ্ণপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় আলমগীর কবির নামে এক জেএমবি সদস্যকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

তার নিকট থেকে ৬টি ককটেল, বিস্ফোরকদ্রব্য ও ২টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আটক জেএমবি সদস্য আলমগীর কবির ওই এলাকার নুরুল হুদার ছেলে। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আলমগীর কল্যাণপুরে নিহত জঙ্গিদের সহযোগী এমন তথ্য ছিল ডিবি পুলিশের নিকট।

ওইদিনই নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের পর আদালত থেকে তিন দিনের রিমান্ড পায় ডিবি পুলিশ। রিমান্ড শেষে তাকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হলে তিনি আদালতে ওই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

এমদাদুল হক মিলন/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।