পেয়ারার লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ


প্রকাশিত: ০১:০৫ পিএম, ০৬ আগস্ট ২০১৬

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় পেয়ারা দেয়ার লোভ দেখিয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সাবু (১৪) নামে এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার বিকেলে শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাতে ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

আটক সাবু উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়নের কেতকীবাড়ি গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় নওদাবাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অশ্বনী কুমার বসুনীয়ার বিরুদ্ধে বাদীকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ বাড়ির বাইরের খোলানে খেলছিল ওই ছাত্রী। এ সময় প্রতিবেশী সাবু শিশুটিকে পেয়ারা দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে সাবুর বাড়ির একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

শিশুটির মা জানান, ওইদিন শিশুটি বাড়ি ফিরে কাঁদতে থাকলে তার কাছে কারণ জানতে চাওয়া হয়। এ সময় শিশুটি ঘটনাটি খুলে বলে। পরে শিশুটির প্যান্টে রক্তের দাগ দেখে তাকে অসুস্থ অবস্থায় হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এদিকে মামলা দায়েরের পর থেকে বাদীকে অব্যাহতভাবে হুমকি-ধামকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নওদাবাস ইউপি চেয়াম্যান অশ্বনী কুমার বসুনীয়ার বিরুদ্ধে।

জানতে চাইলে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান বাদীকে হুমকি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ছেলেটির বয়স কম। এছাড়া ধর্ষণের ঘটনাটি বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হচ্ছে না।  

হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রমজান আলী জানান, শিশুটির প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হাতীবান্ধা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পরে অভিযুক্ত কিশোর সাবুকে রাতেই গ্রেফতার করা হয়।  

রবিউল হাসান/এএম/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।