স্পিডবোটডুবিতে নিখোঁজদের উদ্ধারে তৎপরতা নেই


প্রকাশিত: ০৩:৪১ পিএম, ১০ আগস্ট ২০১৬

যমুনা নদীতে স্পিডবোটডুবিতে নানি-নাতনি নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে।

নিখোঁজরা হলেন, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার গোটেংরা গ্রামের আজাদের মেয়ে শ্রাবন্তী (৬) এবং শ্রাবন্তীর নানী রেজি খাতুন (৪০)।

নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের উদ্ধারে কোনো তৎপরতা শুরু হয়নি।  

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে আরিচা ঘাট থেকে কাজীরহাটে যাওয়ার পথে শিবালয় উপজেলার চর শিবালয় এলাকায় যাত্রীবাহী স্পিডবোটটি ডুবে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ডুবে যাওয়ার সময় স্পিডবোটে ১১ জন যাত্রী ছিল। তাদের মধ্যে নয়জন কুলে আসতে পারলেও নানি-নাতনি নিখোঁজ রয়েছে।

নিখোঁজদের স্বজনেরা অভিযোগ করেন, নিখোঁজদের উদ্ধারে নৌ-পুলিশ, বিআইডব্লিউটিসি বা স্থানীয় প্রশাসনের কেউ এগিয়ে আসেনি।

এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিসি’র কাজীরহাট ঘাটের ইনচার্জ খালেদ মোশাররফ জানান, পাটুরিয়া থেকে নয়জন যাত্রী নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে একটি স্পিডবোট পাবনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পথিমধ্যে বোটটি ডুবে যায়। পরে তাদের সবাইকে উদ্ধার করা হয়।   

প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রী বেজাউল করিম জানান, পুরুষ যাত্রীরা কোনোমতে সাঁতরে উপরে উঠতে পারলেও ওই মহিলা ও তার নাতনি কুলে উঠতে পারেনি।

বুধবার কাজীরহাট ঘাটে নিখোঁজ শ্রাবন্তীর বাবা আজাদ মেয়ে ও শাশুড়ির সন্ধান করে বলেন, শাশুড়ি রেজি খাতুন ও মেয়ে ওই বোটে ছিলেন। তাদের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে আমিনপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএম তাজুল হুদা জানান, তিনি স্পিডবোটডুবির কথা স্থানীয়দের কাছে শুনেছেন। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলতে পারেননি তিনি।

আরিচা ঘাটের বিআইডব্লিউটিসি’র সহকারী পরিচালক ফরিদুল ইসলাম জানান, তারা স্পিডবোটডুবির ঘটনা শুনেছেন। তবে কেউ নিখোঁজ হয়েছেন কিনা তা জানেন না তারা।  

একে জামান/এএম/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।