ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট


প্রকাশিত: ০৮:৫০ এএম, ২৫ আগস্ট ২০১৬
ফাইল ছবি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা সেতুর ঢালুতে পণ্যবাহী একটি কভার্ডভ্যান বিকল হয়ে পড়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজটের কবলে পড়ে শত শত পরিবহনের যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল হতে দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৮ ঘণ্টার যানজটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নাকাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যানজটের খবর পেয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিকল কাভার্ডভ্যানটি সরিয়ে নেয়ার পর যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এখনো যানজটে আটকা পড়ে আছে শত শত যানবাহন।  

যানজটে আটকে ভোগান্তির শিকার হওয়া কয়েকজন যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যানজট নিরসনে কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ দায়িত্বে অবহেলা করছে। যানজট সৃষ্টি হওয়ার পরই যদি হাইওয়ে থানা পুলিশ রেকার এনে কার্যকারী পদক্ষেপ নিতো তাহলে এ দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হতো না।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শরীফুল আলম জানান, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান মেঘনা সেতু এলাকা অতিক্রম করছিল। এ সময় ওই কাভার্ডভ্যানটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে।

সেতুর উপর কভার্ডভ্যান বিকল হয়ে পড়ায় সেতুর দুই প্রান্তে প্রায় ১২/১৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে কাচঁপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রথমে যানজট নিরসনে ব্যর্থ হয়। পরে রেকার দিয়ে বিকল কভার্ডভ্যানটি সরিয়ে নিলে যানজট স্বাভাবিক হয়।

তিনি আরো জানান, কাঁচপুর হাইওয়ে থানার অধীনে থাকা রেকারটি বিকল হয়ে দীর্ঘদিন যাবত পড়ে থাকায় মেঘনা সেতুতে বিকল হওয়া কাভার্ডভ্যানটি দ্রুত সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে সেতু এলাকা থেকে মহাসড়কের উভয় পাশে কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশের সহায়তায় রেকার নিয়ে বেলা ১১টার দিকে বিকল হওয়া কাভার্ডভ্যানটি মেঘনা সেতু থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে উঠে। তবে এখনো পুরোপুরি যানজট নির্মুল করা সম্ভব হয়নি। সকাল থেকে যানজট নিরসন করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

শাহাদাত হোসেন/এসএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।