অবশেষে জাতীয়করণের তালিকায় শহীদ সিরাজুদ্দীন কলেজ


প্রকাশিত: ০১:৪০ পিএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬

অবশেষে যশোরের বাঘারপাড়ার শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজ জাতীয়করণের তালিকায় স্থান পেয়েছে। তবে তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বাঘারপাড়া ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়।

আগের তালিকায় শহীদ সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীর নামে প্রতিষ্ঠিত মহাবিদ্যালয়টির নাম না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন যশোরে সচেতন মানুষ। জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করে।

গত ১৯ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরার শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজটি জাতীয়করণের সম্মতি দিয়েছেন। একইসঙ্গে বাদ পড়ছে আগেকার তালিকায় থাকা বাঘারপাড়ার ডিগ্রি কলেজ।

কলেজ সূত্র জানায়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর খ্যাতিমান সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনী কর্তৃক অপহৃত হয়ে নৃশংসভাবে শহীদ হন।

এরপর ১৯৭২ সালে যশোরের খাজুরাতে বঙ্গবন্ধুর পরামর্শে শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেনের নামে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

কলেজের শিক্ষকরা জানান, ৮ একর ৫২ শতক জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ কলেজে বর্তমানে ৩ হাজার ১২ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।

গত চার বছরে উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক শ্রেণির ফলাফলে পাসের হার ৮৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে। যা উপজেলার যেকোনো কলেজের তুলনায় বেশি। অথচ ওই কলেজটি বাদ দিয়ে আগের তালিকায় স্থান পায় বাঘারপাড়া ডিগ্রি কলেজ। এ কলেজটি ১৯৭৩ সালে ৫ একর জমির ওপরে প্রতিষ্ঠিত হয়।

এদিকে, জাতীয়করণের তালিকায় শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজের নাম বাদ পড়ায় গত ২৮ আগস্ট যশোর-ঢাকা মহাসড়কের খাজুরা এলাকায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে শহীদ বুদ্ধিজীবীর নামে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি জাতীয়করণে দাবি জানানো হয়।

শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনের ছেলে তৌহিদ রেজা নূর কলেজটি জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।

মিলন রহমান/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।