নিরাপদে ফিরলেন সেন্টমার্টিনে আটকাপড়া পর্যটকরা
অবশেষে নিরাপদে টেকনাফ ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে সেন্টমার্টিনে আটকাপড়া হাজারো পর্যটকদের। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আটকাপড়াদের নিয়ে পর্যটকবাহী জাহাজ এমভি বাঙালি টেকনাফ স্থল বন্দর জেটিতে পৌঁছায়।
বৈরী আবহাওয়ার কারণে ৩ নম্বর সর্তক সংকেত বলবৎ থাকায় গত দুইদিন ধরে পর্যটকবাহী কোনো জাহাজ টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে চলাচল করতে পারেনি।
ফলে ১০ মার্চের আগে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যাওয়া প্রায় দেড় হাজার পর্যটক আটকা পড়ে। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে প্রায় ৪ শতাধিক পর্যটক ঝুঁকি নিয়ে ফিশিং ট্রলারে করে শনিবার টেকনাফে ফিরে এসেছিল।
এদিকে বৈরী আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তনের লক্ষণ না দেখে উপজেলা প্রশাসন জাহাজ পাঠিয়ে আটকাপড়া বাকি পর্যটকদের টেকনাফ ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে।
সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, গত কয়েকদিন সেন্টমার্টিন ভ্রমণে এসে প্রায় দেড় হাজার পর্যটক দ্বীপে অবস্থান করছিল। শুক্রবার হঠাৎ ৩ নম্বর সংকেত জারি হলে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে প্রশাসন পর্যটক জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
ফলে দ্বীপে ভ্রমণে আসা পর্যটকরা আটকা পড়ে। তবে কয়েক শতাধিক পর্যটক গত ২ দিনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিশিং ট্রলারে করে টেকনাফে ফিরে যায়।
বাকিদের ফিরিয়ে নিতে প্রশাসন ১২ মার্চ এমভি বাঙালি জাহাজটি দ্বীপে পাঠায়। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে দ্বীপে আটকা পড়া পর্যটকদের নিয়ে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়।
জাহাজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল আহমদ জানান, স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ ক্রমে দুপুরে সেন্টমার্টিন গিয়ে বিকেলে তাদের তুলে রওয়ানা দেয়ার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কন্দও ঘাটে পৌঁছে জাহাজটি।
টেকনাফ উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম জানান, বৈরী আবহওয়া দ্রুত পরিবর্তনের আভাস না পাওয়ায় সেন্টমার্টিনে আটকাপড়াদের নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সায়ীদ আলমগীর/এএম/আরআইপি