মসুরের বাম্পার ফলনেও হতাশ কৃষকরা


প্রকাশিত: ০৮:২৩ এএম, ০১ এপ্রিল ২০১৭

ঝিনাইদহে এবার মসুরের বাস্পার ফলন হয়েছে। জেলার ছয়টি উপজেলা মহেশপুর, কোটচাঁদপুর, কালীগঞ্জ, শৈলকুপা, হরিণাকুণ্ড ও সদর উপজেলায় এবার দুই হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে মসুরের চাষের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল জেলা কৃষি অফিস।

কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার থেকে প্রায় একশ হেক্টরেরও বেশি জমিতে মসুরের আবাদ হয়েছে এবার। তবে ভালো ফলন পেলেও দাম কম হওয়ায় হতাশ কৃষকরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, এবার দুই হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে মসুরের চাষ হয়েছে। সঠিক সময় সার, বীজ বপন, কীটনাশক প্রয়োগ, উন্নত জাত নির্বাচন ও আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবার বাম্পার ফলন হয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলার চলতি রবি মৌসুমে ছয়টি উপজেলার মধ্যে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায়  দুই হাজার ৭৫০ হেক্টর, কালীগঞ্জে চার হাজার ৬৮০ হেক্টর, কোটচাঁদপুরে এক হাজার ৯৯৫ হেক্টর, মহেশপুরে ছয় হাজার ৯৬৫ হেক্টর, শৈলকুপায় চার হাজার ৫০ হেক্টর ও হরিণাকুণ্ডু এক হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে মসুরের আবাদ করা হয়।

শৈলকুপার চাষি সলেমান উদ্দিন জানান, বর্তমানে কৃষক-কৃষাণী মসুর মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাম্পার ফলন হলেও দাম কম পাচ্ছে কৃষক। সে কারণে কিছুটা হতাশা ব্যক্ত করেছে প্রান্তিক কৃষক।

মহেশপুরের কৃষক কামাল মিয়া জানান, বিঘা প্রতি ৮/১০ মণ হারে মসুরের ফলন হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বর্তমানে প্রতি মণ মসুর কৃষকরা বাজারে দুই হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা হারে বিক্রি করছেন। তবে কৃষকরা মসরের দাম কম হওয়ায় কিছুটা হতাশ। গত বছর যা ছিল তিন হাজার থেকে তিন হাজার ২০০ টাকা।

ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শাহ্ মোহা. আকরামুল হক জানান, ফলন ভালো হওয়ায় বাজার দর বর্তমানে একটু কম। এ জেলাতে অর্থকরী এ ফসলের চাষ দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে আস্তে আস্তে বাজার স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আহমেদ নাসিম আনসারী/আরএআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।