মালয়েশিয়ায় কাজ দেয়ার নামে ঢাকায় এনে গণধর্ষণ


প্রকাশিত: ০৩:৪০ এএম, ০৫ এপ্রিল ২০১৭
প্রতীকী ছবি

মালয়েশিয়ায় চাকরি দেয়ার নাম করে বাড়ি থেকে নেয়া হয় মেয়েটিকে। এরপর ঢাকার একটি বাড়িতে আটকে রেখে টানা ১২ দিন গণধর্ষণ করা হয়। ঘটনার শিকার ওই নারী সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার মামলাটি নথিভুক্ত করে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে মেয়েটির। রেকর্ড করা হয়েছে জবানবন্দি।

মামলার আসামিরা হলেন, একই এলাকার বাবুর আলী গাজীর ছেলে নূর ইসলাম গাজী (৪০), গাঙনিয়া গ্রামের নবাব আলীর ছেলে আবু বক্কর গাজী ও ঢাকার জনৈক হাসানুর রহমান।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছ, আট বছর আগে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙা ইউনিয়নের চুপড়িয়া গ্রামে বিয়ে হয় মেয়েটির। দুই সন্তান হওয়ার পর স্বামী বাপের বাড়িতে রেখে ঢাকায় চলে যান। এরপর থেকে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। মামলার আসামিরা তাকে চাকরি দেয়ার নাম মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিলে তাতে মেয়েটি রাজী হয়।

গত ১৮ মার্চ রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর ১৯ মার্চ সকালে ঢাকার গাবতলী এলাকার জনৈক হাসানুর রহমানের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় মেয়েটিকে। সেখানে যাওয়ার পর সে ফরিদপুরসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েকজন নারীকে দেখতে পায়।

ওই বাড়িতে আটকে রেখে পরপর তিনদিন ধর্ষণ করে নূর ইসলাম। এরপর এক ব্যক্তির কাছে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে নুর ইসলাম সাতক্ষীরায় ফিরে আসে। এরপর অজ্ঞাত পরিচয়ের ৪/৫ জন দিন রাত পালাক্রমে ধর্ষণ করে। দিনের বেলা ঘরে তাকে তালাবদ্ধ করে রাখা হতো। এক পর্যায়ে সেখান থেকে দারোয়ানের সহযোগিতায় পালিয়ে ৩১ মার্চ সকালে বাড়িতে ফিরে আসে মেয়েটি।

আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে উল্লেখ করে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন জানান, ভিকটিমের অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা ও ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের ধরতে তৎপরতা চলছে।

আকরামুল ইসলাম/এফএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।