প্রেমিককে আটকে রেখে প্রেমিকাকে ধর্ষণ!


প্রকাশিত: ১২:৪৫ পিএম, ১১ এপ্রিল ২০১৭
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রেমিককে আটকে রেখে ঝুট মিল কারখানার এক নারী শ্রমিককে ধর্ষণ করা হয়েছে। ধর্ষণের পর পুলিশকে না জানাতে ওই নারী শ্রমিককে হুমকিও দেয়া হয়।

মঙ্গলবার ভোরে ফতুল্লার মধ্য নরসিংপুর এলাকাস্থ ইয়াসিন জুট মিলে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

ওই নারী শ্রমিক ফতুল্লা মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ মঙ্গলবার বিকেলে কারখানার সিকিউরিটি গার্ড অভিযুক্ত নুরুজ্জামানকে (৩৫) গ্রেফতার করে। এছাড়া ধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগে আরও দুই সিকিউরিটি গার্ড বাকীয়ার ও আব্দুল জলিলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী শ্রমিক জানান, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডু থানার উত্তর বাঁশবাড়িয়া আলম পুকুরপাড় এলাকার সুলতান আহম্মেদের ছেলে সুজাত আলী রানা (২৪) ও ওই নারী প্রেমের টানে ঘর ছেড়ে পালিয়ে নারায়ণগঞ্জে আসেন। তারা গত ৪ এপ্রিল কাশিপুরের উত্তর নরসিংপুর এলাকার ইয়াসিন জুট মিলে চাকরি নেয়। এরপর থেকে তারা ওই কারখানায় বসবাস করে আসছিল।

কারখানায় চাকরি নেয়ার পর থেকেই কারখানার সিকিউরিটি গার্ডরা কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে তিনি রাজি না হওয়ায় তাকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা হয়।

মঙ্গলবার ভোরে ওই নারীর রুমে এসে ফের কু-প্রস্তাব দেয়। একপর্যায়ে কারখানার কোয়ালিটি অফিসার আলি কদম তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় প্রেমিক সুজাত আলী রানা এসে বাধা দিলে তাকে কারখানার একটি কক্ষে আটক করে। এরপর কয়েকজনের সহযোগীতায় সিকিউরিটি অফিসার নুরুজ্জামান তাকে ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ছোট ভাইয়ের ঝুট মিলে সিকিউরিটি গার্ড কর্তৃক কারখানার নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষক নুরুজ্জামানসহ আরও দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

শাহাদাত হোসেন/এআরএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।