হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হাকালুকি
বাংলাদেশ সরকারের হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতর অন্তর্ভুক্ত নয় এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকির মৌলভীবাজারের বৃহৎ অংশ।
সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে হাওর ও জলাভূমি উন্নয়নে ‘হাওর মহাপরিকল্পনা’ প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও হাকালুকি হাওরাঞ্চলের জেলার কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার অংশ সুবিধা হতে বঞ্চিত রয়েছে। এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওরকে হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতরের অন্তর্ভুক্ত না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
তথ্য মতে, দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের সাতটি হাওর জেলার জনগণের উন্নয়ন চাহিদার ভিত্তিতে ‘হাওর মহাপরিকল্পনা’ গ্রহণ করে সরকার। হাওরাঞ্চলের সম্ভাব্য সব ক্ষেত্রে সমভাবে সমন্বিত টেকসই উন্নয়নের লক্ষে ১৭টি উন্নয়নের বিপরিতে ১৫৪টি প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়।
হাওর অঞ্চলের বন্যা ব্যবস্থাপনা ও জীবন যাত্রার মানোন্নয়ন প্রকল্প, (JICA অর্থায়নে, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড অংশ) কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার ২৯টি হাওরে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও মৌলভীবাজারের হাকালুকি হওরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে হাকালুকির মৌলভীবাজারের কৃষক ও মৎস্যজীবীরা উন্নয়ন চাহিদা থেকে বঞ্চিত ও হুমকির মুখে হাওরাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য।
এদিকে এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওরকে হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতরের অন্তর্ভুক্ত না থাকায় স্থানীয় সাংসদ মো. আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা মো. আজিজুর রহমান, কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রেণু উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এ তিন উপজেলার হাকালুকির অংশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন প্রকল্পে আওতাভুক্ত করা হোক।
এ বিষয়ে কথা বলতে হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এমএএস/জেআইএম