জমি রেজিস্ট্রির জন্য ২৮ বছর ধরে ঘুরছেন ক্রেতা


প্রকাশিত: ১০:১২ এএম, ২০ মে ২০১৭

যশোরে হারুনার রশিদ বাদশা নামে এক মুক্তিযোদ্ধা ভবনসহ জমি কিনতে টাকা পরিশোধ করেও রেজিস্ট্রির জন্য ২৮ বছর ধরে ঘুরছেন।

এ নিয়ে একাধিক সালিশ বৈঠকে টাকা গ্রহীতা জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে চেয়েও দেননি বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি আদালতে মামলা করেছেন। শনিবার যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি করেন ভুক্তভোগী বাদশা।

লিখিত বক্তব্যে হারুনার রশিদ বাদশা বলেন, যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের সাবেক বেনাপোল বাসস্ট্যান্ডে ৫৭৯ দাগের ১১ দশমিক ৬৯ শতকের ওপর ভবনটির নাম হোটেল শাহারিয়ার। ভবন ও জমির মালিক ১৯৮৮ সালে আবদুল মজিদ খান তার বাবার চিকিৎসা ও হাউজ বিল্ডিং করপোরেশনের লোন পরিশোধের জন্য ৫ লাখ টাকায় বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন। আমি সম্মত হয়ে ১৯৮৮ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে তাকে ৪ লাখ ৩ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছিলাম। অবশিষ্ট ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা জমি রেজিস্ট্রির দিন দিতে চাই। কিন্তু জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে টালবাহানা করেন জামাল।

মাসের পর মাস তার পেছনে ঘুরেছি। এই পরিস্থিতিতে ১৯৯৫ সালের ১০ ডিসেম্বর এলাকায় সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। সেখানে জামাল অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বকেয়া ৯৬ হাজার ৫০০ টাকারসহ অতিরিক্ত সাড়ে ৮ হাজার টাকা অর্থ্যাৎ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দিয়ে জমি রেজিস্ট্রি করে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

সেই অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ১ লাখ ৪ হাজার টাকা দেয়া হয়। তারপরও জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। তখন ২০০৮ সালের ১৮ জুন আদালতে মামলা করি। সেই থেকে মামলা পরিচালনা করে আসছি। এরই মধ্যে জামাল খান মারা যায় এবং এখন মামলার দেখভাল করছেন তার স্ত্রী ও সন্তানরা। তারা এখন আমার বিরুদ্ধে জমি দখলের মিথ্যা অভিযোগ করে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মিলন রহমান/এএমএমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।