গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের লাশ হস্তান্তর
গাজীপুর মহানগরীর পোড়াবাড়ি এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সোমবার বিকেলে আসামি বহনকারী লেগুনা ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে পুলিশসহ ৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া নিহত ৭ জনের মধ্যে অজ্ঞাত কিশোরের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম সুজন মিয়া (১৪)। সে কিশোর ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের খাউড়ামুকন্দ গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে।
মঙ্গলবার সকালে তার মা কুলসুম বেগম এবং ভাই সুমন মিয়া গাজীপুর মর্গে এসে লাশ সনাক্ত করেন। তার লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে নিহত অপর ৬ জনের লাশ সোমবার রাতেই পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রাত দেড়টার দিকে পুলিশ সদস্য মোস্তফা কামালের লাশ গ্রহণ করেন স্ত্রী হাসনা বেগম। লাশ হস্তান্তরের আগে গাজীপুর পুলিশ লাইনে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, পুলিশের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয়রা অংশ নেয়।
জয়দেবপুর থানা পুলিশের ওসি খন্দকার রেজাউল হাসান রেজা জানান, লেগুনার মালিক ও চালকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের সনাক্তের চেষ্টা চলছে। তবে আহত ৮ আসামির মধ্যে গাজীপুর তাজ উদ্দীন আহামদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬ জনকে মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয় চিকিৎসক। পরে তাদের আদালতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এ ছাড়া নিহত ৭ জনের সবারই পরিচয় পাওয়া গেছে, এরা হলেন, আসামি শ্রীপুরের পেলাইদ গ্রামের হাছেন আলীর ছেলে মাসুদ (২২), একই উপজেলার দূর্লভপুর গ্রামের আলী আকবরের ছেলে মানিক (৩০), মাইজপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে সোহেল (২৮), ইন্তাজ আলীর ছেলে সুরুজ মিয়া (৫৫), বাদিয়ারচালা গ্রামের আমির আলীর ছেলে মমিন উদ্দিন (৩২), ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের খাউড়ামুকন্দ গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে সুজন মিয়া (১৪) ও পুলিশ সদস্য মোস্তফা কামাল (৫০)। তার বাড়ি ময়মনসিংহের পাগলা থানার কুরচাই গ্রামে।
আমিনুল ইসলাম/এমএএস/আরআই