বন্যার্তদের পাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ০১:৫৯ পিএম, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাবাসী। জেলা পুলিশের উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাবাসীর সহায়তায় বন্যাদুর্গত লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের উদ্দেশ্যে ১০ হাজার প্যাকেট ত্রাণসামগ্রী বহনকারী ১২টি ট্রাক রওনা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ট্রাকগুলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইন্স ছেড়ে যায়। ত্রাণের প্রতি প্যাকেটে পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, আধা কেজি চিনি, আধা কেজি সুজি, আধা কেজি চিড়া ও দুটি খাবার স্যালাইন রয়েছে। তবে কিছু প্যাকেটে শাড়ি এবং লুঙ্গিও রয়েছে।

এদিন বিকেলে পুলিশ লাইন্সের ড্রিলশেডে আয়োজিত ত্রাণসামগ্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবার হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য জেলা প্রশসানের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বন্যা দুর্গতদের সাহায্যার্থে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি তহবিল গঠন করা হয়। পরে শহরের পৌর আধুনিক সুপার মার্কেটের সাহায্য সংগ্রহের একটি অস্থায়ী বুথ খোলা হয়। বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসতে জেলার সর্বস্তরের মানুষের কাছে সাহায্যের আহ্বান জানান পুলিশ সুপার।

এতে সাড়া দেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ নগদ অর্থ, নতুন কাপড়, শুকনা খাবার, ওষুধ, খাবার স্যালাইন ও বিশুদ্ধ পানি দ্বারা সহযোগিতা করেন। বন্যার্তদের জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ টাকাসহ সর্বমোট ৫০ লাখ ২৩ হাজার ৮৭৮ টাকা সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া প্রায় ১৫ লাখ টাকার ত্রাণসামগ্রী জমা পড়ে।

আজিজুল সঞ্চয়/এএম/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।