শেখ হাসিনা শিক্ষকদের মর্যাদা দিয়েছেন : খালিদ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: ০২:৫৮ পিএম, ০৫ অক্টোবর ২০১৭

সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং শিক্ষার যুগান্তকারী বিস্তার ঘটানোর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের শিক্ষকদের মর্যাদা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলায় শিক্ষক দিবসের এক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার নতুন নতুন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজসহ অনেক স্কুল-কলেজ ও মাদরাসা যেমন প্রতিষ্ঠা করেছে, তেমনি বিনামূল্যে বই ও উপবৃত্তির ব্যবস্থা করেছে। এর পাশাপাশি জেলা-উপজেলায় অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি করেছে। শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়েছে। বেসরকারি শিক্ষকদের সরকারি করেছে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের শিক্ষকদের মর্যাদা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, যারা সরাসরি শিক্ষক প্রধানমন্ত্রী তাদের খুব সম্মান করেন। গর্ব করে নিজের শিক্ষকদের পরিচয় দেন। শেখ হাসিনা তার সন্তানদের কথাও গর্ব করে বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সুশিক্ষিত সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা হোসেন পুতুল বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তারা বাংলাদেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। অন্য কোন সরকারপ্রধান নিজের সন্তানদের কথা গর্ব করে বলতে পারে না। কোন রাজনীতিবিদের সন্তান দেশের জন্য এভাবে কাজও করেনি।

বিরল উপজেলা অডিটোরিয়াম মিলোনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আলহাজ মঞ্জুরুল ইসলাম দুলু।

এতে বক্তব্য রাখেন বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম রওশন কবির, বিরল উপজেল মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তৈয়ব আলী, বিরল ডিগ্রি কলেজর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু হাসান, বিরল মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সুফিয়া নাহার মঞ্জু প্রমুখ।

এর আগে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বিরলের যোশরাল জামে মসজিদের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন, আওয়ামী লীগ কার্যালয় চত্বরে বন্যা ও বজ্রপাতে নিহতদের পরিবারের মাঝে ভ্যানগাড়ি বিতরণ করেন। সন্ধ্যায় বোচাগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

এএ/এএম/আইআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।