আবারও সেই মুক্তমঞ্চে জাফর ইকবাল

ছামির মাহমুদ
ছামির মাহমুদ
প্রকাশিত: ১১:৫৭ এএম, ১৪ মার্চ ২০১৮ | আপডেট: ১২:৪৮ পিএম, ১৪ মার্চ ২০১৮

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জনপ্রিয় লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে ১১ দিন চিকিৎসা প্রদান শেষে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

আন্তঃবাহিনী গণসংযোগ পরিদফতরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম শাম্মী একথা জানান। তিনি জানান, ড. জাফর ইকবাল এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। তবে আগামী সাতদিন তাকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে।

অধ্যাপক জাফর ইকবালের ব্যক্তিগত সহকারী জয়নাল আবেদীন জানান, ছাড়পত্র পাওয়ার পর তিনি সরাসরি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান। সেখান থেকে আজ বুধবার দুপুর ১২টায় নভো-এয়ারের একটি ফ্লাইটে সিলেট আসবেন। দুপুর পৌনে ১টায় তার সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে। জাফর ইকবাল স্যারের সঙ্গে তার স্ত্রী ড. ইয়াসমিন হকসহ পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। বিমানবন্দর থেকে জাফর ইকবাল সরাসরি শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেবেন।

এদিকে ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, জাফর ইকবালের ফিরে আসা নিয়ে উচ্ছ্বাসিত ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। জাফর ইকবালকে ক্যম্পাসের 'ব্র্যান্ডম্যান' উল্লেখ করে আজ তারা তাকে বরণ করে নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

বিকেল ৪টায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে আসবেন তিনি। যেখানে গত ৩ মার্চ হামলার শিকার হন তিনি ওই স্থানে দাঁড়িয়েই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতোবিনিময় করবেন। শিক্ষার্থীদের নিয়ে আবারও মেতে উঠবেন জাফর ইকবাল এমন প্রত্যাশা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইশাফকুল হোসেন জানান, ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এখন পুরোপুরি সুস্থ। চিকিৎসা ছাড়পত্র পাওয়ার পর আজ দুপুরে তিনি সিলেট পৌঁছাবেন। তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হবে।

গত ৩ মার্চ রাত থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন ড. জাফর ইকবাল। ওইদিন বিকেল সাড়ে ৫টায় শাবি ক্যাম্পাসে তিনি হামলার শিকার হন।

হামলার পরপরই শিক্ষার্থীরা হামলাকারী ফয়জুল হাসানকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে র্যাবের হাতে তুলে দেন। বর্তমানে ফয়জুল, তার ভাই, বাবা ও মামা পুলিশ রিমান্ডে রয়েছে।

এফএ/জেআইএম