মাতারবাড়ির ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন দাবিতে স্মারকলিপি


প্রকাশিত: ০৬:২৬ পিএম, ২৬ জুলাই ২০১৫

মাতারবাড়ি-ধলঘাটায় নির্মাণাধীন কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের বৈষম্যহীনভাবে পুনর্বাসন ও সহজ শর্তে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। রোববার মাতারবাড়ি-ধলঘাটা নাগরিক ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ রইচ উদ্দিনের নেতৃত্বে এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি দেয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক ও উন্নয়ন) ড. অনুপম সাহা স্মারকলিপি গ্রহণ করেছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সহ-সভাপতি জাতীয় প্রবীণ ফেডারেশনের সহসভাপতি প্রিন্সিপাল মাহাবুব কামাল, ছালেহ আহমদ সামাদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম মুজিবুল হক, সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুর রব, অ্যাড. মোস্তাক আহমদ, উপদেষ্টা অ্যাড. ইব্রাহিম, উপদেষ্টা ও দৈনিক কক্সবাজার বাণীর সম্পাদক ফরিদুল আলম শাহীন, দৈনিক কক্সবাজার বাণীর বার্তাপ্রধান সরওয়ার আজম মানিক, রুহুল কাদের বাবুল, এসএম ইদ্রিস মোস্তাফা, মমতাজ আহমদ, শামীম সরওয়ার ও সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

স্মারক লিপিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মাতারবাড়িতে কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পসহ আরো যে সমস্ত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হবে তা এলাকার মানুষ আনন্দচিত্তে গ্রহণ করেছেন। তবে উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে নিতে পদ্মা সেতুর আদলে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন জরুরি।

আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১২ সালে একর প্রতি মাতারবাড়ির জমি বিক্রি হয়েছে ১২ লাখ ও সর্বোচ্চ দুই কোটি ২০ লাখ টাকা এবং ২০১৪ সালে একর প্রতি সর্বোচ্চ চার কোটি ৫০ লাখ টাকা। সেখানে সরকার প্রতি একর জমির ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করেছে একরে দুই থেকে চার লাখ টাকা। যা নামমাত্র মূল্য ছাড়া আর কিছুই নয়।

স্মারকলিপিতে ভূমি হারানো পরিবারের দীর্ঘ মেয়াদি পুনর্বাসন, লবনচাষী, বিপণনকারী, শ্রমিক, চিংড়ি ও কাঁকড়া চাষী, জেলে সম্প্রদায় ও মৎস্যজীবীদের পুনর্বাসনের দাবি করা হয়।

পাশাপাশি স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি সরকারি লিজকৃত জমি এবং দখলে থাকা খাস জমিরও যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

সায়ীদ আলমগীর/বিএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]