ভাড়া বাসায় পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর মরদেহ, হত্যার অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ১০:০৭ পিএম, ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নোয়াখালীতে দিলরুবা আক্তার সালমা (২৩) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার বিকেলে শহরের মাইজদী নতুন বাসস্ট্যান্ডের একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত দিলরুবা আক্তার সালমা নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের গামছা খালী গ্রামের সোলাইমান মিয়ার মেয়ে এবং নোয়াখালী পুলিশ লাইনের কনস্টেবল তাজবিত হোসেন রাজিবের স্ত্রী।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, রাজিব তার স্ত্রী দিলরুবাকে হত্যা করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ বছর আগে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বাসিন্দা ও নোয়াখালীর পুলিশ কনস্টেবল তাজবিত হোসেন রাজিবের সঙ্গে হাতিয়া থানায় কর্মরত অবস্থায় হাতিয়ার চরকিং ইউনিয়নের গামছা খালী গ্রামের সোলাইমান মিয়ার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী দিলরুবা আক্তার সালমার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে দুইজনের নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে হয়। পরে রাজিব বদলি হয়ে জেলা পুলিশ লাইনে এলে তারা মাইজদী নতুন বাসস্ট্যান্ডের কাছে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। এরই মাঝে তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তার বর্তমান বয়স ৪ বছর।

নিহতের ভাই হাছান অভিযোগ করেন, রাজিব প্রতিনিয়ত তার বোনকে নির্যাতন করতো। রোববার দুপুরে রাজিব দিলরুবাকে গলা টিপে ও বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার পর সে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করেছে।

সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে বলা যাবে।

আরএআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।