ধনিয়ায় ধানের কুড়া, মরিচে সিঁদুর

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশিত: ০৩:০২ পিএম, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

ভৈরবে অভিযানে চালিয়ে প্রায় ৮৫ মণ ভেজাল মশলা জব্দ করেছে র‌্যাব। এ সময় মিলের মালিক আবদুল হাসিম মিয়ার ছেলে আনসারী রনি (৩২) ও তার কর্মচারী দেলোয়ারকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার রাত ১২টার দিকে শহরের নদীর পাড় এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। রাতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে রনিকে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও কর্মচারী দেলয়ারকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। পরে তাদেরকে ভৈরব থানা পুলিশে সোপর্দ করা এবং মঙ্গলবার সকালে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভৈরব র‌্যাব-১৪ ক্যাম্পের সদস্যরা রাতে শহরের নদীর পাড়ের হাসিম মিয়ার মশলা মিলে অভিযান চালায়। এসময় মিলে নোংরা পরিবেশে ধনিয়ার সঙ্গে কুড়া, হুলুদের সঙ্গে ডাল, নিম্নমানের মরিচের সঙ্গে সিঁদুরের রং মিশ্রনের কাজ চলছিল। পরে ভেজাল মিশ্রিত ৮৫ মণ (প্রায় ৩৫০০ কেজি) মশলা জব্দ করা হয়।

অভিযানের সময় মিল মালিক আবদুল হাসিম পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে র‌্যাব। পরে সেখান থেকে মালিকের ছেলে রনি ও কর্মচারী দেলোয়ারকে আটক করা হয়।

ভৈরব র‌্যাব-১৪ ক্যাম্পের কমান্ডার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ জুবায়ের জানান, অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিন যাবৎ মিলটি ভেজাল মশলা বাজারজাত করছে। এমন খবরে সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে ভেজাল মিশ্রিত মশলা জব্দসহ দুজনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে আটকদের সাজা দেয়া হয়।

আসাদুজ্জামান ফারুক/আরএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।