তাড়াশে বিপন্ন প্রজাতির শকুন উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: ১০:৩৭ এএম, ০৫ জানুয়ারি ২০১৯

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিপন্ন (বিলুপ্ত) প্রজাতির একটি শকুন ধরা পড়েছে। পাখিটির বৈজ্ঞানিক নাম গ্রিফন ভালচার (জিপস ভালচার)। এদের ওজন ৬ থেকে ১১ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের চরকুশাবাড়ী পশ্চিমপাড়ার নজিবুর রহমানের বাড়ি থেকে রাজশাহী বিভাগীয় বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মাঠকর্মীসহ স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাড়াশের ইউএনও ইফফাত জাহান অসুস্থ শকুনটি উদ্ধার করেন। পরে সেটিকে রাজশাহী বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তাড়াশ উপজেলা বন কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন জানান, গত বুধবার দুপুরে চরকুশাবাড়ী গ্রামের নজিবর রহমানের বাড়ির আঙিনায় হঠাৎ বিপন্ন প্রজাতির ওই শকুনটি পড়ে যায়। অসুস্থ শকুনটি উড়তে পারছিল না। পরে গৃহকর্তা সেটিকে ধরে একটি ঝুপড়ি ঘরে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন এবং খাবার খেতে দেন।

southeast

ঘটনা জানাজানি হলে এলাকার লোকজন শকুনটি দেখার জন্য ওই বাড়িতে ভিড় জমান। অনেকে পাখিটির ছবি তুলে ফেসবুকে দেন। ঘটনাটি ভাইরাল হলে পাবনা বন বিভাগ বিষয়টি তাড়াশ বন বিভাগকে জানায়। এরপর বন বিভাগ তাড়াশের ইউএনওকে জানালে তিনি রাজশাহী বন বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তারা শকুনটি উদ্ধার করেন।

এ প্রসঙ্গে রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান জানান, শকুনটির যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পাখিটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। হিমালয়ান এই শকুনের প্রজাতি বিপন্নপ্রায়। সারা পৃথিবীতে এর সংখ্যা ১০০-১৫০ এর বেশি নেই।

তবে এ বিষয়ে ঢাকা জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানের (বোটানিক্যাল গার্ডেন) পরিচালক মোল্লা রেজাউল করিম জানান, নেপালের হিমালয়ের আশপাশে থাকায় এরা হিমালয়ান গ্রিফন ভালচার বলে পরিচিতি।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।