এক টুকরা লাল কাপড়েই দায় সেরেছে কর্তৃপক্ষ

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক শ্রীপুর (গাজীপুর)
প্রকাশিত: ১২:৪০ পিএম, ১৬ মার্চ ২০১৯

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার-কাওরাইদ আঞ্চলিক সড়ক। সড়কটি দৈর্ঘ্যে ১২ কিলোমিটার। তবে এটি পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহের গফরগাঁও, কিশোরগঞ্জ ও সিলেট মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত। ব্যস্ততম সড়কে বেশ কিছু দিন ধরেই একটি সেতুর উপর বাঁশের মাথায় লাল কাপড় ঝোলানো রয়েছে। যার মাধ্যমে পথচারীদের সংকেত দেয়া হচ্ছে সামনে ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট।

কাওরাইদ বাজারের প্রবেশ মুখে কাওরাইদ খালের উপর নির্মিত কালভার্টটি বেশ কিছুদিন আগে দেবে যায়। এরপর থেকে অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই ভাঙা কালভার্টের উপর দিয়ে যান চলাচল করছে। যেকোনো সময় ছোট এই কালভার্টটি ধসে পড়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এদিকে কালভার্টটি ধসে পড়লে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। এতে প্রায় ২০ কিলোমিটার ঘুরে কাওরাইদ বাজারে যেতে হবে।

উপজেলা স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল বিভাগের তথ্যমতে, ১২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য জৈনাবাজার-কাওরাইদ সড়কের কাওরাইদ খালের উপর ১৯৮৫ সালের দিকে নির্মাণ করা হয় এই কালভার্টটি। তবে অতিরিক্ত মালবোঝাই গাড়ির চাপে সম্প্রতি এটি দেবে যায়।

কাওরাইদ দক্ষিণ পাড়া গ্রামের সাজ্জাত হোসেন জানান, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার ছোট ও মাঝারি যানবাহন চলাচল করে, এছাড়াও চলে ইট ও বালি বোঝাই লরি। কালভার্টটি দেবে যাওয়ার পর শুধু লাল কাপড় টানিয়েই দায়িত্ব সেরেছে দায়িত্বপ্রাপ্তরা। অনেকে অলিখিত ঝুঁকির কথা আমলে না নিয়ে চলাচল করছে।

কাওরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম ঢালী জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি প্রতিদিন ব্যবহার করে আসছে শ্রীপুরসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার কয়েক হাজার লোক। এই কালভার্টের উপর দিয়ে বহু যানবাহনও চলাচল করে। সম্প্রতি কালভার্টটি দেবে যাওয়ায় বড় ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাসুদুল ইসলাম জানান, সেতুটির একাংশ ভেঙে পড়ায় ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে আমরা ইতোমধ্যেই লাল কাপড় টানিয়ে বিপদ সংকেত দিয়েছি। এছাড়া কালভার্টটি নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে।

শিহাব খান/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।