মোবাইল ও জুতা দেখে মরদেহ শনাক্ত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি শরীয়তপুর
প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০১৯

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় নিখোঁজের সাতদিন পর বোরহান বেপারী (৩০) নামে এক যুবকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ঘড়িসার ইউনিয়নের বারৈপাড়া এলাকার একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের সঙ্গে থাকা মোবাইল ও জুতা দেখে মরদেহ শনাক্ত করে নিহতের পরিবার।

বোরহান বেপারী উপজেলার ঘড়িসার ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বারৈপাড়া গ্রামের মৃত সামসুল হক বেপারীর ছেলে। তিনি ঘড়িসার বাজারের একটি ওয়ার্কসপের দোকানের কর্মচারী। গত জানুয়ারিতে বিয়ে করেছেন তিনি।

পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে নড়িয়া উপজেলার ঘড়িসার ইউনিয়নের হালইসার গ্রামে শ্বশুরবাড়ি স্ত্রীকে আনতে বাড়ি থেকে বের হন বোরহান। সেই থেকে নিখোঁজ হন তিনি। পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পায়নি। বুধবার সকাল থেকে মরদেহ পঁচা গন্ধ বারৈপাড়া এলাকায় ছড়িয়ে পরে। গন্ধ কোথা থেকে আসছে খুঁজে পাচ্ছিল না এলাকাবাসী। পরে বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের মতি লাকরিয়ার একটি ডোবায় এলাকাবাসী মরহেদটি দেখতে পেয়ে নড়িয়া থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বোরহানের মরদেহ উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহত বোরহানের বড় ভাই লাল মিয়া বেপারী জানান, গত শুক্রবার বিকেলে স্ত্রী শিল্পী আক্তারকে আনতে বের হয় বোরহান। পরে আর খোঁজ মিলেনি তার। আজ বোরহানের মরদেহ পাওয়া গেল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) কামরুল হাসান বলেন, সাতদিনে মরদেহ গলে পঁচে গেছে। মরদেহের সঙ্গে থাকা মোবাইল ও জুতা দেখে নিহতের পরিবার তাকে শনাক্ত করেছে।

ছগির হোসেন/আরএআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।