তিতাসের পাইপ দিয়ে বের হয় গ্যাস, দুই এলাকায় বিস্ফোরণ

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)
প্রকাশিত: ১০:০৩ পিএম, ১৩ জুন ২০১৯

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে তিতাস গ্যাসের পাইপ লাইন দিয়ে প্রতিনিয়ত গ্যাস বের হয়। তিতাস গ্যাসের সংশ্লিষ্ট অফিসে বিষয়টি জানালেও লাইনগুলো সংস্কার না হওয়ায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী।

ইতোমধ্যে দুই এলাকায় বিকট শব্দে দুটি ড্রেনে বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। পরে এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ড্রেনগুলোর ভেতর দিয়ে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি সমাধানের জন্য তিতাস গ্যাসের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এলাকাবাসী জানান, তিতাসের গ্যাস লাইনগুলো দিয়ে প্রায় গ্যাস বের হয়। বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশনের ড্রেনগুলোর ভেতর দিয়ে নেয়া লাইনগুলো দিয়ে বেশি গ্যাস বের হয়। তাছাড়া মাটির রাস্তা দিয়ে সরবরাহ করা সংযোগগুলো দিয়েও গ্যাস বের হয়। বৃষ্টির সময় মাটির রাস্তাগুলো ডুবে থাকা অবস্থায় গ্যাসের লিকেজ আরও বেশি বুঝা যায়, পানিতে বুদবুদ সৃষ্টি হয়। এছাড়া গ্যাসনির্গত এলাকায় গ্যাসের গন্ধে গ্যাস নির্গতের বিষয়টি বুঝা যায়। হিরাঝিল এলাকার ৪ নম্বর গলিতে গ্যাস সরবরাহ লাইন থেকে গ্যাস বের হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

তাছাড়া পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকার কামালের দোকানের উত্তরে ডিএনডি ক্যানেলের পাশের গ্যাস সরবরাহ সংযোগ থেকে প্রতিনিয়ত গ্যাস বের হচ্ছে। ডিএনডি খালের পানি বেড়ে গেলে পানিতে বুদবুদের কারণে গ্যাস নির্গত হওয়ার বিষয়টি বুঝা যায়। এতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

এরই মধ্যে ৭ জুন রাত ৯টায় সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদী নতুন মহল্লার শাপলা চত্বর এলাকার ড্রেনে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। ওই ড্রেনে কিছু সময় গ্যাস সংযোগ থেকে আগুন জ্বলে।

তখন এলাকাবাসী আদমজী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসী পানি ও বালু দিয়ে আগুন নেভায়। এর দুইদিন পর ৯ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিল আবাসিক এলাকায় ড্রেন দিয়ে গ্যাসের আগুন জ্বলতে থাকে। ওই সময় এলকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কিত এলাকাবাসী খবর দেয় আদমজী ফায়ার সার্ভিসকে। পরবর্তীতে আদমজী ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নেভায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিতাস গ্যাস অফিসের নারায়ণগঞ্জের জিডিএম হাছান শাহরিয়ার বলেন, আমি ছুটিতে আছি। এ বিষয়ে জানতে উপ-ব্যবস্থাপক আব্দুল কবিরকে ফোন দেন। পরে আব্দুল কবিরের মুটোফোনে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি তিনি।

হোসেন চিশতী সিপলু/এএম/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :