চাঁদাবাজি বন্ধ হওয়ায় শ্রমিকদের আনন্দ মিছিল
লক্ষ্মীপুরে অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক মহাসড়কে পরিবহন চাঁদাবাজি বন্ধ করায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে রায়পুর পৌর শহরে শতাধিক সিএনজি চালিত অটোরিকশা মালিক ও শ্রমিকরা এ মিছিল করে। মিছিলটি জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামের সামনে থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একইস্থানে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় লক্ষ্মীপুরের ডিসি চন্দ্র পাল ও এসপি ড. এএইচএম কামরুজ্জামানকে অভিনন্দন জানিয়ে শ্রমিকরা বিভিন্ন স্লোগান দেয়। তারা অটোরিকশাসহ পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানায়।
এদিকে ১৩ অক্টোবর জেলা ও ১৪ অক্টোবর রায়পুর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় লক্ষ্মীপুরে অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক মহাসড়কের অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলন বন্ধের বিষয়টি উপস্থাপন হয়। এতে লক্ষ্মীপুরের বিভিন্নস্থানে সড়কে চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার ৯ জনকে আটক করে দ্রুত বিচার আইনে মামলার বিষয়টি আলোচনা হয়। এসময় কর্মকর্তারা লক্ষ্মীপুরে পরিবহন চাঁদাবাজি চলবে না বলে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি দেয়।
সিএনজি মালিক ও শ্রমিকরা জানায়, লক্ষ্মীপুর-রায়পুর আঞ্চলিক সড়ক ও অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে প্রতিদিন কয়েক হাজার বাস, মিনিবাস, ট্রাক, সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও লেগুনা চলাচল করে। মালিক ও শ্রমিক সমিতির ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতা চাঁদা উত্তোলন করে। দৈনিক হাজিরা হিসেবে লোক নিয়োগ করে ৩০ টাকা থেকে শুরু করে ইচ্ছেমতো চাঁদা আদায় করা হয় পরিবহনগুলো থেকে। এভাবে গত কয়েকবছরে ক্ষমতাসীন দলের অনেকেই ফুলে ফেঁপে উঠেছে।
কাজল কায়েস/এমএএস/এমএস