খুলছে বান্দরবানের হোটেল মোটেল রিসোর্ট

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বান্দরবান
প্রকাশিত: ০৬:১১ পিএম, ০৩ জুন ২০২০

কোভিড-১৯ এর কারণে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলো দীর্ঘ আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর খোলার অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। বুধবার (০৩ জুন) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও জেলা করোনা মনিটরিং কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শামীম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পুরোদমে সার্ভিস চালু করার লক্ষ্যে আজ থেকে হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট খুলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং জীবাণুমুক্ত করা যাবে। আগামী ৭২ ঘণ্টা পর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সীমিত আকারে ব্যবসা কার্যক্রম শুরু করা যাবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। পর্যটকরা কবে থেকে হোটেল বুকিং দিতে পারবেন সে বিষয়েও এই সময়ের মধ্যে জানানো হবে।

বান্দরবান আবাসিক হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, হোটেল-মোটেল খোলার বিষয়ে ৩ দিন পর সিদ্ধান্ত জানাবে বলেছে জেলা প্রশাসন। তবে আমাদেরকে হোটেল-মোটেল জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে।

বান্দরবান সদরের হোটেল হিলভিউ আবাসিকের একাউন্টস ম্যানেজার মো. তৌহিদ পারভেজ বলেন, এরই মাঝে হোটেল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু করেছি। আড়াই মাস হোটেল বন্ধ থাকায় আর্থিক ক্ষতি অনেক হয়েছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিবছর সবুজ পাহাড় দেখতে এ সময়টাতে হাজারো পর্যটক এই পার্বত্য জেলায় ভ্রমণ করতে আসেন। বান্দরবানের নীলগিরী, নীলাচল, চিম্বুক ও মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে ঈদ পরবর্তী সময় ও ছুটির দিনে হাজারো পর্যটকের ভিড় লেগেই থাকে। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে অন্যান্য জেলার মতো বান্দরবানও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

এতে পর্যটক আসা বন্ধ হলে ৬০টিরও অধিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের ব্যবসাও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ে হাজারো মানুষ, বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয় ব্যবসায়ীরা। তবে এবার সবকিছু স্বাভাবিক পারে ভেবে আশার আলো দেখছেন তারা।

সৈকত দাশ/এফএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]