দুর্ভোগের শেষ নেই নাটোরের বানভাসিদের
নাটোরের সিংড়ায় আত্রাই নদীর পানির প্রবল স্রোতে শোলাকুড়া মহল্লার ১০টি বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ৫টি বাড়ির আংশিক বিলীন হয়ে গেছে। নদীর পানি কমলেও ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। আতংকে মানুষ মালামাল অন্যত্র সরে নিচ্ছে।
শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে নদীর পানি তীব্র বেগে প্রবাহিত হতে দেখা যায়। পানিবন্দি মানুষেরা অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। অনেকেই বাড়িতে মাচা করে তার ওপর অবস্থান করছেন। যাদের সে অবস্থাও নেই তারা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, ইতোমধ্যে বিধ্বস্ত হয়েছে জহুরুল, জহির, কুদ্দুস, রহিম,সফের, বাবলু, মতলেব, শাজা, শামিমেরসহ ১৫ জনের বাড়ি। আতংকে মানুষ মালামাল সরিয়ে নিচ্ছেন।

স্থানীয় ও স্বেচ্ছাসেবকরা জানান, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ এমপির নির্দেশনায় ভাঙনরোধে সিংড়া পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব জান্নাতুল ফেরদৌস, শেরকোল ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফুল হাবিব রুবেল ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান ইমাম ও ভিপি সজিব ইসলাম জুয়েলের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করছেন। তবে জনবল দ্রুত বাড়ানো দরকার। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দ্রুত না নিলে আরও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান জানান, গতকাল আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমার ১১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আজ সেখান থেকে ৫১ সেন্টিমিটারে নেমে এসেছে। তবে বন্যার পানি নেমে যেতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ফেলে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন রোধের চেষ্টা করছে।
রেজাউল করিম রেজা/এফএ/এমএস