রেললাইনে ঝুঁকিপূর্ণ বাজার

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ)
প্রকাশিত: ০৪:৫০ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২১

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভাকে দুই ভাগ করেছে ঢাকা-সিলেট রেল লাইন। রেল লাইনের উভয় পাশেই রয়েছে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ধীরে ধীরে বেড়েছে শহরের পরিধি। ফলে রেল লাইন ঘেঁষে গড়ে ওঠা পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ দাউদনগর বাজারের আয়তন বৃদ্ধি পেয়ে এখন রেল লাইন অবধি ঠেকেছে।

প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রেল লাইনে অস্থায়ীভাবে বসে বাজার। ট্রেন আসার সময় হলে দোকানিরা এক পাশে সরে গিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেয়। ট্রেন যাতায়াতের সময় প্রতিবারই দোকানিরা বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়ে। যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

jagonews24

সরেজমিনে জানা গেছে, প্রতিদিন চার জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন এ লাইন দিয়ে চলাচল করে। লাইনে বিভিন্ন সবজির অস্থায়ী দোকান বসিয়ে বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা। ট্রেন আসার সময় হলে এক পাশে সরে গিয়ে ট্রেন যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেয়। ট্রেন যাতায়াতের সময় প্রতিবারই দোকানিরা বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়ে। বিশেষ করে বাজারে আসা বয়স্কদের জন্য যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জীবনহানীকর হতে পারে বলে ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান।

সবজি বিক্রেতা সোহেল মিয়া বলেন, জীবিকার তাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা এখানে ব্যবসা করছি। তবে বাজার কর্তৃপক্ষ স্থায়ী ব্যবস্থা করলে উপকৃত হবো।

jagonews24

আব্দুল জব্বার নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখানে প্রতিদিন বসি। কারণ বাজারের ভেতরে কোনো জায়গা পাইনি। দোকান নিয়ে না বসলে সংসার চলবে কীভাবে। তাই ঝুঁকি জেনেও এখানে ব্যবসা করি।

শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনের উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মনির হোসেন বলেন, এখানে সম্প্রতি যোগদান করেছি, তাও অতিরিক্ত দ্বায়িত্বে। তাই এ বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। তবে রেল লাইনের পাশে গড়ে উঠা বাজার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি দেখছি।

jagonews24

শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিদায়ী মেয়র মো. ছালেক মিয়া বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ইতিমধ্যে বাজারের শেড নির্মাণ করা হয়েছে। তবে ব্যবসায়ী বেশি হওয়ায় সবাইকে শেডের ভেতরে জায়গা দেয়া সম্ভব হয়নি। আশাকরি নতুন পৌর পরিষদ এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে।

কামরুজ্জামান আল রিয়াদ/ এএইচ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]