আজও বাংলাবাজারে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর
প্রকাশিত: ০১:০৩ পিএম, ১৮ মে ২০২১ | আপডেট: ০২:২১ পিএম, ১৮ মে ২০২১

ঈদ শেষে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। তবে ফিরতে পথেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।

লঞ্চ ও দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ থাকায় বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরিতে কর্মস্থলে আসছেন দক্ষিনাঞ্চলবাসী। ফেরিঘাটে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ফেরিতে উঠে পড়ছেন যাত্রীরা।

কয়েকগুন বাড়তি ভাড়া দিয়েও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।

jagonews24

মঙ্গলবার (১৮ মে) ঘাটে সকালে যাত্রীর চাপ থাকলেও আগামীকাল তা কমে আসবে বলে আশা ঘাট সংশ্লিষ্টদের।

এদিকে যাত্রীর চাপ সামাল দিতে ঘাট এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে দুই শতাধিক পুলিশ। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘাট এলাকায় রয়েছেন। তবে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত রয়েছে প্রতিটি ফেরিতে।

সকাল থেকে বাংলাবাজার ঘাটে সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিটি ফেরিতে যাত্রী ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি যাত্রী নিয়ে ফেরি চলছে। বিআইডব্লিউটিসির পক্ষ থেকে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

jagonews24

বরগুনার সাহানা আক্তার বলেন, রাস্তায় কোনো দূরপাল্লার বাস চলছে না। এ কারণে ৫০০-৬০০ টাকার স্থলে ১৫০০-১৬০০ টাকা খরচ করে ঘাটে এসেছি।

বরিশাল থেকে আসা যাত্রী আবদুর রহমান বলেন, সকাল যাত্রীর চাপ কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে।

বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন বলেন, অ্যাম্বুলেন্স ও কাঁচা পণ্যবাহী যানবাহনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফেরি পার করছি। আজ এ রুটে ১৮টি ফেরি চলাচল করছে। ফলে যাত্রীদের তেমন কোনো ভোগান্তি হচ্ছে না। তবে আমরা প্রতিনিয়তই মাইকিং করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করছি।

নাসিরুল হক/এসএমএম/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]