কামারশালায় নেই টুংটাং শব্দ
ক’দিন বাদেই কোরবানির ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে এসময় কামারদের দম ফেলবার ফুসরত থাকতো না। দিন-রাত কামারশালায় টুংটাং শব্দ লেগেই থাকতো। কিন্তু চলমান লকডাউনে এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে নেই কামারদের ব্যস্ততা। বন্ধ বেশির ভাগ কামারশালা।
শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আগের মতো ব্যস্ততা নেই কামারদের। লকডাউনে কয়েকটি কামারশালা খোলা থাকলেও নেই কাজ। ঈদকে ঘিরে নেই তাদের বাড়তি প্রস্তুতি। কামারশালায় সহযোগীদের নিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় দিনভর বসে থাকলেও কাঙ্ক্ষিত বিক্রি নেই।
শহরের সিসিডিবি মোড়ে শ্রী সুনীল কর্মকার নামের এক দোকানি বলেন, এ বছরও ব্যবসার সময়টাতে লকডাউন। ঈদ আসলেই কাজের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। কিন্তু এবার সে পরিমাণ কাজ নেই।

তিনি আরও বলেন, ঈদের এক মাস আগ থেকেই দা, ছুরি, বটি, চাপাতিসহ নানা হাতিয়ার তৈরির কাজ শুরু হতো। কামারশালার সামনে বিক্রি করার জন্য সাজানো থাকতো কোরবানি করার বিভিন্ন সরঞ্জামাদি। বিক্রি শুরু হতো দুই সপ্তাহ আগে থেকে।
শ্যামপুর এলাকার মিলন কর্মকার বলেন, দা-চাপাতি বানাতে ৪০০-৪৫০ টাকা, বড় ছুরি ৬০০-৭০০ টাকা, ছিলা ছুরি ১৫০-২০০ টাকা। শান দেয়ার মজুরি প্রকার ভেদে ৮০ ও ১২০ টাকা নেয়া হচ্ছে।
কামারশালায় আসা এনামুল নামে এক ক্রেতা বলেন, কোরবানির আগে কামারশালায় ভিড় থাকে। লকডাউনের কারণে সে তুলনায় ভিড় নাই।
সোহান মাহমুদ/আরএইচ/এমকেএইচ