পঞ্চগড়ে তিনদিন পর দেখা মিললো সূর্যের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পঞ্চগড়
প্রকাশিত: ০৩:২৯ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২২
রোদের দেখা মেলায় রুজির সন্ধানে খেটে খাওয়া মানুষ

পঞ্চগড়ে টানা তিনদিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর দেখা মিললো সূর্যের। রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকালে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এর আগে শনিবার সকালেও সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল গোটা আকাশ। মেঘলা আকাশের সঙ্গে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় জবুথুবু জনজীবন। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝলমলে রোদের কারণে শীতের তীব্রতা কিছুটা কমে যায়। সকালে সূর্যের দেখা মিললেও দুপুরের পর কমে যায় রোদের ঝলক। ফের শুরু হয় হিমেল হাওয়া ও শীতের তীব্রতা।

তৃতীয় দফায় টানা তিনদিনের শৈত্যপ্রবাহে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে সকাল ১০টার পরও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। চলতি সপ্তাহে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।

এদিকে ঠাণ্ডার কারণে বেড়েছে শীত জনিত রোগ। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে বৃদ্ধি বেড়েছে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা। হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন অসংখ্য শীত জনিত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। জেলার বিভিন্ন উপজেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও শিশু রোগীদের জায়গা সংকুলান হচ্ছে না।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ বলেন, ‘সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ এর মধ্যের অবস্থাকে শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়ে থাকে। রোববার সকাল ৯ টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

সফিকুল আলম/আরএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]